কখনও কখনও ভিড়ের মাঝেও মানুষ একা হয়ে যায়।
চারপাশে কত শব্দ,কত মানুষ–তবুও ভেতরের নীরবতাটাকে কেও শোনে না।
ঠিক সেই নীরবতার ভিতরেই জন্ম নেয় আমাদের সত্যিকারের অনুভূতি গুলো।
হয়তো সেই অনুভূতি কেও বুঝবে না,ব্যাক্ষা চাইলেও বলা যাবে না...
তবুও মনে হয় – নিজের সাথে একটু থাকলে মন্দ হয় না।
একা থাকা সবসময় দুঃখের নয়। একা থাকার মানে নিজেকে হারিয়ে ফেলা নয়,বরং নিজেকে খুঁজে পাওয়া।
যেখানে আর কাওকে বোঝানোর দরকার নেই, কারো মতো হতে হয় না,শুধু নিজের মতো করে নিজের জগতে থাকার সুযোগ।
কখনও কখনও মানুষ আঘাত পায়,ভেঙে যায়,তখন ভরসা চাইলেও সাহস হয় না, কাদতে চাইলেও চোখ শুকিয়ে যায়।
তবে সেই নীরব মুহূর্তগুলো মানুষ বুঝতে শেখে–তার হৃদয় যত বেশি ভাঙ্গে,তত শক্ত হতে শেখে।
একাকীত্ব আমাদের শিখিয়ে দেয়–কে সত্যিই কাছের,আর কে শুধুই কাছের অভিনয় করে। কে দরকারে পাশে থাকে,আর কে স্বার্থে আসে যায়।
হয়তো কষ্ট হয়,কিন্তু সত্য জানা ভালো–মিথ্যা আশার চেয়ে সত্য একাকীত্ব অনেক নিরাপদ।
একা থাকার সময় মানুষ নতুন করে নিজের স্বপ্ন বানায়। ভেঙ্গে যাওয়া থেকে উঠে দাঁড়ানোর শক্তি পায়। নিজের ভিতরের আলোকে খুঁজে পায়। আর একদিন ঠিক এমন সকাল আসে–যেদিন নিজেকেই নিজের সবচেয়ে বড় শক্তি মনে হয়।
তাই একাকিত্বে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।
এটা দরকারের সময় বিশ্রাম,নিরাপদ জায়গা এবং নতুন করে শুরু করার সুযোগ।
হয়তো পৃথিবী বুঝবে না,
হয়তো কেও অনুভব করবে না –
তবু সেই শান্ত নীরবতার মাঝে তুমি ধীরে ধীরে বদলে যাচ্ছো।
আর এই বদলের নামই–
"একা একাকিত্বে একটু খানি একান্ত"।
বিশেষ দ্রষ্টব্য : এই লেখাটি আমার ব্যক্তিগত অনুভূতি এবং আমার জীবনের সাথে মিলিয়ে ভাব চিন্তার প্রকাশ। তবে প্রতিটা মানুষ আলাদা,সবার গল্প এক নয়। অনেকের ক্ষেত্রে একাকীত্ব শান্তির নয় বরং ভীষন কষ্টের। যা ধীরে ধীরে তিলে তিলে শেষ করে দেয়। তাই সব অনুভূতি সবার জীবনের সাথে মিলবে এমনটা নয়,এটাই স্বাভাবিক।
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।