বৌদ্ধ ধর্মে অবৈজ্ঞানিকতা এবং ত্রিপিটকের বৈজ্ঞানিক ভুল -
আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ
বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থে অনেক আজগুবি এবং গাঁজাখুরি কথা আছে যেগুলো বৌদ্ধ ভিক্ষুরা আড়াল করে রাখতে চাই। আমি অনলাইনে কিছু বৌদ্ধ অনুসারীদের এটা বলতে দেখি যে " বৌদ্ধ ধর্ম একটা যুক্তিবাদী ও বিজ্ঞানময় ধর্ম ইত্যাদি করে... " তাই ভাবলাম তাদের কথিত বিজ্ঞানভিত্তিক ধর্মের একটু পোস্টমর্টেম করা যাক...... ।
কয়দিন আগে আমাদের বাংলাদেশে বড় ধরনের ভূমিকম্প হয়ে গিয়েছে। আপনারা কি জানেন ত্রিপিটকে ভূমিকম্প সম্পর্কে কি বলা হয়েছে? যদি না জেনে থাকেন তাহলে জেনে নিন -
ত্রিপিটকে বলা হয়েছে যে -
১২. “যেহেতু, আনন্দ, মহা পৃথিবী জলের উপর প্রতিষ্ঠিত, জল প্রতিষ্ঠিত বাতাসে, মহাশূন্যে বিদ্যমান বায়ু; যে সময় মহা বায়ু প্রবাহিত হয় তাতে জল প্রকম্পিত হয়, জল প্রকম্পিত হলে পৃথিবী প্রকম্পিত হয়।
হে আনন্দ, মহা ভূমিকম্প প্রাদুর্ভাবের এটা প্রথম কারণ, হেতু।
( রেফারেন্স : ত্রিপিটক, সূত্রপিটক, অঙ্গুত্তরনিকায়, অষ্টক নিপাত, দ্বিতীয় পঞ্চাশক, (৭) ভূমিকম্প বর্গ ( ১০) ভূমিকম্প সূত্র , শ্লোক-১২)
আপনারা দেখতেই পাচ্চেন যে ভূমিকম্পে সূত্রে এমন কিছু হাস্যকর কথা বলা হয়েছে যা দেখলে বাচ্চাও হাসবে। এই এক শ্লোকে পাঁচটা বৈজ্ঞানিক ভুল আছে, সেগুলো হলো -
১. পৃথিবীর জলের উপর প্রতিষ্ঠিত
২. জল প্রতিষ্ঠিত বাতাসে
৩. মহাশূন্যেও নাকি বায়ু আছে
৪. বায়ু নাকি জলকে প্রকম্পিত করে
৫. প্রকম্পিত জল নাকি ভূমিকম্প সৃষ্টি করে...
তো আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন যে ভূমিকম্প কি করে সৃষ্টি হয় তার ব্যাপারে বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থ কি রকম হাস্যকর অবৈজ্ঞানিক তথ্য দিয়েছে। এক শ্লোকের যদি এতগুলো ভুল বলা হয়ে থাকে তাহলে সে ধর্ম আর ধর্মগ্রন্থ বৈজ্ঞানিক যুক্তিবাদী হয় কি করে তা আমার মাথাতে ঢুকে না.....
এরকম আরও নানান অবৈজ্ঞানিক হাস্যকর কথাবার্তা ত্রিপিটকে বলা হয়েছে, আপনার ধীরে ধীরে সেগুলো সব প্রকাশ করব ইনশাআল্লাহ ।
#প্রিন্স_ফ্রেরাসে
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।