Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

eID: #3573 এর সম্পাদনার ইতিহাস

মূল লেখায় ফিরে যান

বর্তমান ভার্সনসম্পাদনা 12 মার্চ করেছেন প্রিন্স ফ্রেরাসে

থ্রিলার সিরিজ : ছায়ার নকশা


থ্রিলার সিরিজ: ছায়ার নকশা







সিজন-১ 







পর্ব–২ : নিষিদ্ধ ফাইল







লাইব্রেরির ভেতরের বাতাস হঠাৎ ভারী হয়ে উঠল। মেহেদী দূর থেকে দেখছিল সেই দুজন লোক ধীরে ধীরে তার টেবিলের দিকে এগিয়ে আসছে। তাদের মুখে কোনো অভিব্যক্তি নেই, কিন্তু চোখে ছিল অদ্ভুত এক কঠোরতা। মেহেদীর বুক ধড়ফড় করছিল।সে দ্রুত মাথা নিচু করে বইয়ের পাতায় চোখ রাখল, যেন সে খুব মন দিয়ে পড়ছে। কিন্তু তার মনের ভেতর তখন ঝড় চলছে। "ওরা কি আমাকে খুঁজছে?"







লোক দুজন পাশের টেবিলে গিয়ে দাঁড়াল। তাদের একজন ধীরে ধীরে লাইব্রেরির চারপাশে তাকাতে লাগল।



হঠাৎ সে নিচু স্বরে বলল-



“ফাইলটা এখানেই থাকার কথা।”



আরেকজন বলল-



"ডক্টর হামিদ শেষবার এখানে এসেছিল।"



রাশেদের শরীর ঠান্ডা হয়ে গেল।







ডক্টর হামিদের নাম আবার শুনে তার সন্দেহ আরও গভীর হলো।কিছুক্ষণ পর লাইব্রেরির বৃদ্ধ কর্মচারী তাদের কাছে এগিয়ে এল।"আপনারা কাউকে খুঁজছেন?"সে জিজ্ঞেস করল।



লোকদের একজন শান্ত গলায় বলল-







“আমরা একটা পুরোনো গবেষণার কপি খুঁজছি। ডক্টর হামিদের লেখা।”







বৃদ্ধ লোকটা একটু ভেবে বলল-



“ওনার কিছু কাগজপত্র আর্কাইভ রুমে আছে।”







লোক দুজন তখন লাইব্রেরির ভেতরের একটা অন্ধকার করিডোর দিয়ে চলে গেল।মেহেদী কয়েক মুহূর্ত স্থির হয়ে বসে থাকল।তার মাথায় একটা চিন্তা ঘুরছিল- 



“ডক্টর হামিদ কি এমন কিছু আবিষ্কার করেছিলেন, যার জন্য তাকে হত্যা করা হয়েছে?”







কৌতূহল আর ভয় একসাথে তাকে তাড়িয়ে নিয়ে গেল।



সে ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়াল এবং দূর থেকে লোক দুজনকে অনুসরণ করতে লাগল।লাইব্রেরির আর্কাইভ রুমটা ছিল অনেক পুরোনো। ধুলো জমে থাকা তাক আর হাজার হাজার পুরোনো ফাইল সেখানে সাজানো।মেহেদী দরজার আড়াল থেকে দেখল লোক দুজন একটা ফাইল খুঁজছে।



কিছুক্ষণ পর তাদের একজন রাগে বলল



"ফাইলটা নেই!"







আরেকজন গম্ভীর স্বরে বলল-



"তাহলে কেউ আগে নিয়ে গেছে।"







এই কথা শুনে রাশেদের বুক কেঁপে উঠল।



কারণ ঠিক সেই মুহূর্তে সে মনে করতে পারলকিছুক্ষণ আগে সে যে পুরোনো ম্যাগাজিন পড়ছিল, তার ভেতরে একটা ভাঁজ করা কাগজ ছিল।সে তখন গুরুত্ব দেয়নি।



কিন্তু এখন তার মনে হচ্ছে সেই কাগজটাই হয়তো খুব গুরুত্বপূর্ণ।ঠিক তখনই হঠাৎ লাইব্রেরির আলো কয়েক সেকেন্ডের জন্য নিভে গেল।অন্ধকার।



তারপর আবার আলো জ্বলে উঠল।



আর সেই মুহূর্তেই লোক দুজন দরজার দিকে তাকাল।



তাদের চোখ সরাসরি রাশেদের উপর পড়ল।



একজন ধীরে ধীরে বলল



“তুমি এখানে কি করছ?” মেহেদীর গলা শুকিয়ে গেল।



সে কিছু বলার আগেই লোকটা তার দিকে এগিয়ে এল।



তার আঙুলের আংটিতে আবার সেই ভয়ংকর প্রতীকটা ঝলসে উঠল। ত্রিভুজের ভেতরে একটি চোখ।



লোকটা নিচু স্বরে বলল-



“তুমি কি কিছু দেখেছ?”



রাশেদের মনে হলো সে যেন এক ভয়ংকর জালের মধ্যে আটকে গেছে।কিন্তু তার চেয়েও বড় প্রশ্ন এখন তার মাথায় ঘুরছে—



“ডক্টর হামিদের সেই নিষিদ্ধ alt="image" src="https://idea.enolej.com/?qa=blob&qa_blobid=8721475822956648028"> src="https://idea.enolej.com/?qa=blob&qa_blobid=8721475822956648028" alt="image"> ফাইলে আসলে কি ছিল?”







চলবে…







#প্রিন্স_ফ্রেরাসে

লিখেছেন 12 মার্চ , লেখক: প্রিন্স ফ্রেরাসে

থ্রিলার সিরিজ :



থ্রিলার সিরিজ: ছায়ার নকশা







সিজন-১ 







পর্ব–২ : নিষিদ্ধ ফাইল







লাইব্রেরির ভেতরের বাতাস হঠাৎ ভারী হয়ে উঠল। মেহেদী দূর থেকে দেখছিল সেই দুজন লোক ধীরে ধীরে তার টেবিলের দিকে এগিয়ে আসছে। তাদের মুখে কোনো অভিব্যক্তি নেই, কিন্তু চোখে ছিল অদ্ভুত এক কঠোরতা। মেহেদীর বুক ধড়ফড় করছিল।সে দ্রুত মাথা নিচু করে বইয়ের পাতায় চোখ রাখল, যেন সে খুব মন দিয়ে পড়ছে। কিন্তু তার মনের ভেতর তখন ঝড় চলছে। "ওরা কি আমাকে খুঁজছে?"







লোক দুজন পাশের টেবিলে গিয়ে দাঁড়াল। তাদের একজন ধীরে ধীরে লাইব্রেরির চারপাশে তাকাতে লাগল।



হঠাৎ সে নিচু স্বরে বলল-



“ফাইলটা এখানেই থাকার কথা।”



আরেকজন বলল-



"ডক্টর হামিদ শেষবার এখানে এসেছিল।"



রাশেদের শরীর ঠান্ডা হয়ে গেল।







ডক্টর হামিদের নাম আবার শুনে তার সন্দেহ আরও গভীর হলো।কিছুক্ষণ পর লাইব্রেরির বৃদ্ধ কর্মচারী তাদের কাছে এগিয়ে এল।"আপনারা কাউকে খুঁজছেন?"সে জিজ্ঞেস করল।



লোকদের একজন শান্ত গলায় বলল-







“আমরা একটা পুরোনো গবেষণার কপি খুঁজছি। ডক্টর হামিদের লেখা।”







বৃদ্ধ লোকটা একটু ভেবে বলল-



“ওনার কিছু কাগজপত্র আর্কাইভ রুমে আছে।”







লোক দুজন তখন লাইব্রেরির ভেতরের একটা অন্ধকার করিডোর দিয়ে চলে গেল।মেহেদী কয়েক মুহূর্ত স্থির হয়ে বসে থাকল।তার মাথায় একটা চিন্তা ঘুরছিল- 



“ডক্টর হামিদ কি এমন কিছু আবিষ্কার করেছিলেন, যার জন্য তাকে হত্যা করা হয়েছে?”







কৌতূহল আর ভয় একসাথে তাকে তাড়িয়ে নিয়ে গেল।



সে ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়াল এবং দূর থেকে লোক দুজনকে অনুসরণ করতে লাগল।লাইব্রেরির আর্কাইভ রুমটা ছিল অনেক পুরোনো। ধুলো জমে থাকা তাক আর হাজার হাজার পুরোনো ফাইল সেখানে সাজানো।মেহেদী দরজার আড়াল থেকে দেখল লোক দুজন একটা ফাইল খুঁজছে।



কিছুক্ষণ পর তাদের একজন রাগে বলল



"ফাইলটা নেই!"







আরেকজন গম্ভীর স্বরে বলল-



"তাহলে কেউ আগে নিয়ে গেছে।"







এই কথা শুনে রাশেদের বুক কেঁপে উঠল।



কারণ ঠিক সেই মুহূর্তে সে মনে করতে পারলকিছুক্ষণ আগে সে যে পুরোনো ম্যাগাজিন পড়ছিল, তার ভেতরে একটা ভাঁজ করা কাগজ ছিল।সে তখন গুরুত্ব দেয়নি।



কিন্তু এখন তার মনে হচ্ছে সেই কাগজটাই হয়তো খুব গুরুত্বপূর্ণ।ঠিক তখনই হঠাৎ লাইব্রেরির আলো কয়েক সেকেন্ডের জন্য নিভে গেল।অন্ধকার।



তারপর আবার আলো জ্বলে উঠল।



আর সেই মুহূর্তেই লোক দুজন দরজার দিকে তাকাল।



তাদের চোখ সরাসরি রাশেদের উপর পড়ল।



একজন ধীরে ধীরে বলল



“তুমি এখানে কি করছ?” মেহেদীর গলা শুকিয়ে গেল।



সে কিছু বলার আগেই লোকটা তার দিকে এগিয়ে এল।



তার আঙুলের আংটিতে আবার সেই ভয়ংকর প্রতীকটা ঝলসে উঠল। ত্রিভুজের ভেতরে একটি চোখ।



লোকটা নিচু স্বরে বলল-



“তুমি কি কিছু দেখেছ?”



রাশেদের মনে হলো সে যেন এক ভয়ংকর জালের মধ্যে আটকে গেছে।কিন্তু তার চেয়েও বড় প্রশ্ন এখন তার মাথায় ঘুরছে—



“ডক্টর হামিদের সেই নিষিদ্ধ image ফাইলে আসলে কি ছিল?”







চলবে…







#প্রিন্স_ফ্রেরাসে


📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
সেরা ১০ জন পরীক্ষক

  1. শামীমা আকতার

    4 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  2. MdAUKhan

    3 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  3. রফিক আতা

    3 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  4. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1459 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    72 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. রফিক আতা

    203 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    8 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    127 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. আল-মামুন রেজা

    105 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    5 টি আইডিয়া ব্লগ

...