Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

eID: #3338 এর সম্পাদনার ইতিহাস

মূল লেখায় ফিরে যান

বর্তমান ভার্সনসম্পাদনা 02 ফেব্রুয়ারি করেছেন রফিক আতা

মনে করিয়ে দিলেন রবের কথা

style="text-align: left;">

dir="ltr" style="text-align: center;">

style="text-align: left;">

style="text-align: center;" dir="ltr">
মনে করিয়ে দিলেন রবের কথা




dir="ltr" style="text-align: center;">
style="text-align: center;" dir="ltr">
‎—রফিক আতা—




dir="ltr" style="text-align: center;">
style="text-align: center;" dir="ltr">






‎রিকশাপুঞ্জি—৭










dir="ltr" style="text-align: justify;">
style="text-align: justify;" dir="ltr">
‎আজ এক অদ্ভুত অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে গেলাম।




dir="ltr" style="text-align: justify;">
style="font-size: 16px;">style="">‎



style="text-align: left;">

dir="ltr" style="text-align: justify;">
style="text-align: justify;" dir="ltr">
style="font-size: 16px;">style="">‎



style="text-align: left;">

style="text-align: justify;" dir="ltr">
‎একজন ভাই গন্তব্যে যাওয়ার জন্য আমার রিকশায় উঠেছিলেন। আমি তাকে নিয়ে কিছুটা পথ চললাম। দূরত্বটা খুব বেশি না হলেও ভাড়ার হিসেবে অন্তত ৩০ থেকে ৪০ টাকার সমানই হবে। পথের শেষ মুহূর্তে তিনি আমাকে বিশ টাকার একটি নোট ধরিয়ে দিয়ে নেমে পড়লেন এবং চলে যেতে উদ্যত হলেন।




dir="ltr" style="text-align: justify;">
style="font-size: 16px;">style="">‎



style="text-align: left;">

dir="ltr" style="text-align: justify;">
style="text-align: justify;" dir="ltr">
style="font-size: 16px;">style="">‎



style="text-align: left;">

style="text-align: justify;" dir="ltr">
‎আমি পেছন থেকে ডেকে বললাম,




dir="ltr" style="text-align: justify;">
style="text-align: justify;" dir="ltr">
‎“ভাই, ভাড়া তো ৪০ টাকা। আপনি কীভাবে মাত্র ২০ টাকা দিলেন? অন্তত ৩০ টাকা তো দিতেই হবে।”




dir="ltr" style="text-align: justify;">
style="font-size: 16px;">style="">‎



style="text-align: left;">

dir="ltr" style="text-align: justify;">
style="text-align: justify;" dir="ltr">
style="font-size: 16px;">style="">‎



style="text-align: left;">

style="text-align: justify;" dir="ltr">
‎কথা বাড়তে লাগল। আমি লক্ষ্য করলাম, তিনি কোনোভাবেই ৩০ টাকা দিতে রাজি নন। অদ্ভুত ব্যাপার হলো—আমি সাধারণত এত ছোট অঙ্কের টাকার জন্য কারও সঙ্গে তর্কে জড়াই না। কিন্তু আজ কেন জানি ভেতরে এক ধরনের অকারণ জেদ কাজ করছিল। মাত্র ৫–১০ টাকার জন্যই আমি তার সঙ্গে কথার লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়লাম। বারবার বোঝাতে চেষ্টা করলাম, চাপ দিলাম—কিন্তু তবুও তিনি দশ টাকা দিতে রাজি হলেন না।




dir="ltr" style="text-align: justify;">
style="font-size: 16px;">style="">‎



style="text-align: left;">

dir="ltr" style="text-align: justify;">
style="text-align: justify;" dir="ltr">
style="font-size: 16px;">style="">‎



style="text-align: left;">

style="text-align: justify;" dir="ltr">
‎একপর্যায়ে লোকটি হাঁটা শুরু করলেন। আমি আবার পেছন থেকে তাকে ডাকলাম। বললাম,




dir="ltr" style="text-align: justify;">
style="text-align: justify;" dir="ltr">
‎“ভাই, এই দশ টাকা আমি আপনার কাছ থেকে আজ না হোক, কাল কেয়ামতের দিন আল্লাহর আদালতে উশুল করব।”




dir="ltr" style="text-align: justify;">
style="font-size: 16px;">style="">‎



style="text-align: left;">

dir="ltr" style="text-align: justify;">
style="text-align: justify;" dir="ltr">
style="font-size: 16px;">style="">‎



style="text-align: left;">

style="text-align: justify;" dir="ltr">
‎এই কথাটা বলতেই মুহূর্তের মধ্যে দৃশ্যটা বদলে গেল।




dir="ltr" style="text-align: justify;">
style="font-size: 16px;">style="">‎



style="text-align: left;">

dir="ltr" style="text-align: justify;">
style="text-align: justify;" dir="ltr">
style="font-size: 16px;">style="">‎



style="text-align: left;">

style="text-align: justify;" dir="ltr">
‎লোকটি হঠাৎ ঘুরে আমার দিকে দৌড়ে এল। তার এমন ত্বরিত ফিরে আসা দেখে আমি প্রথমে চমকে উঠলাম। মনে হলো—কি জানি, আবার রেগে গিয়ে হাত তুলবে না তো! বুকের ভেতর অজানা এক শঙ্কা জেগে উঠেছিল।




dir="ltr" style="text-align: justify;">
style="font-size: 16px;">style="">‎



style="text-align: left;">

dir="ltr" style="text-align: justify;">
style="text-align: justify;" dir="ltr">
style="font-size: 16px;">style="">‎



style="text-align: left;">

style="text-align: justify;" dir="ltr">
‎কিন্তু না।




dir="ltr" style="text-align: justify;">
style="font-size: 16px;">style="">‎



style="text-align: left;">

dir="ltr" style="text-align: justify;">
style="text-align: justify;" dir="ltr">
style="font-size: 16px;">style="">‎



style="text-align: left;">

style="text-align: justify;" dir="ltr">
‎সে এসে আমার হাতে ২০ টাকার একটি নোট ধরিয়ে দিল। বলল,




dir="ltr" style="text-align: justify;">
style="text-align: justify;" dir="ltr">
‎“ভাই, আপনি আমাকে মনে করিয়ে দিলেন রবের কথা। আল্লাহর ওয়াস্তে আমাকে ক্ষমা করে দিন।”




dir="ltr" style="text-align: justify;">
style="font-size: 16px;">style="">‎



style="text-align: left;">

dir="ltr" style="text-align: justify;">
style="text-align: justify;" dir="ltr">
style="font-size: 16px;">style="">‎



style="text-align: left;">

style="text-align: justify;" dir="ltr">
‎এই কথাটা বলেই সে দ্রুত চলে গেল।




dir="ltr" style="text-align: justify;">
style="font-size: 16px;">style="">‎



style="text-align: left;">

dir="ltr" style="text-align: justify;">
style="text-align: justify;" dir="ltr">
style="font-size: 16px;">style="">‎



style="text-align: left;">

style="text-align: justify;" dir="ltr">
‎আর আমি—আমি বাকরুদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম। বিস্ময়মিশ্রিত চোখে তার চলে যাওয়ার পথের দিকে তাকিয়ে ভাবছিলাম—কয়েক মুহূর্ত আগেও যে মানুষটা দশ টাকা দিতে রাজি হচ্ছিল না, শেষ বিচারের দিনের কথা, আল্লাহর ভয় মনে পড়তেই সে স্বেচ্ছায় বিশ টাকা দিয়ে ক্ষমা চেয়ে চলে গেল!




dir="ltr" style="text-align: justify;">
style="font-size: 16px;">style="">‎



style="text-align: left;">

dir="ltr" style="text-align: justify;">
style="text-align: justify;" dir="ltr">
style="font-size: 16px;">style="">‎



style="text-align: left;">

style="text-align: justify;" dir="ltr">
‎এই ঘটনাটা আমাকে গভীরভাবে নাড়া দিল। টাকার অঙ্কটা এখানে আসল বিষয় নয়। আসল বিষয় হলো—মানুষের অন্তরে লুকিয়ে থাকা ঈমান, ভয় আর বিবেক। অনেক সময় যুক্তি, তর্ক কিংবা জেদের চেয়ে একটি সত্য উচ্চারণই মানুষের ভেতরের সুপ্ত মানবিকতাকে জাগিয়ে তোলে।




dir="ltr" style="text-align: justify;">
style="font-size: 16px;">style="">‎



style="text-align: left;">

dir="ltr" style="text-align: justify;">
style="text-align: justify;" dir="ltr">
style="font-size: 16px;">style="">‎



style="text-align: left;">

style="text-align: justify;" dir="ltr">
‎আজ বুঝলাম, আল্লাহর স্মরণ মানুষের হৃদয়ে কতটা শক্তিশালী প্রভাব ফেলতে পারে—যা কোনো চাপ, কোনো ঝগড়া দিয়েও সম্ভব হয় না।




dir="ltr" style="text-align: justify;">
style="font-size: 16px;">style="">‎



style="text-align: left;">

dir="ltr" style="text-align: justify;">
style="text-align: justify;" dir="ltr">
style="font-size: 16px;">style="">‎



style="text-align: left;">

style="text-align: justify;" dir="ltr">
‎আটাশ, এক, ছাব্বিশ। 


লিখেছেন 02 ফেব্রুয়ারি , লেখক: রফিক আতা

মনে করিয়ে দিলেন রবের কথা




মনে করিয়ে দিলেন রবের কথা





‎—রফিক আতা—











‎রিকশাপুঞ্জি—৭











‎আজ এক অদ্ভুত অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে গেলাম।











‎একজন ভাই গন্তব্যে যাওয়ার জন্য আমার রিকশায় উঠেছিলেন। আমি তাকে নিয়ে কিছুটা পথ চললাম। দূরত্বটা খুব বেশি না হলেও ভাড়ার হিসেবে অন্তত ৩০ থেকে ৪০ টাকার সমানই হবে। পথের শেষ মুহূর্তে তিনি আমাকে বিশ টাকার একটি নোট ধরিয়ে দিয়ে নেমে পড়লেন এবং চলে যেতে উদ্যত হলেন।











‎আমি পেছন থেকে ডেকে বললাম,





‎“ভাই, ভাড়া তো ৪০ টাকা। আপনি কীভাবে মাত্র ২০ টাকা দিলেন? অন্তত ৩০ টাকা তো দিতেই হবে।”











‎কথা বাড়তে লাগল। আমি লক্ষ্য করলাম, তিনি কোনোভাবেই ৩০ টাকা দিতে রাজি নন। অদ্ভুত ব্যাপার হলো—আমি সাধারণত এত ছোট অঙ্কের টাকার জন্য কারও সঙ্গে তর্কে জড়াই না। কিন্তু আজ কেন জানি ভেতরে এক ধরনের অকারণ জেদ কাজ করছিল। মাত্র ৫–১০ টাকার জন্যই আমি তার সঙ্গে কথার লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়লাম। বারবার বোঝাতে চেষ্টা করলাম, চাপ দিলাম—কিন্তু তবুও তিনি দশ টাকা দিতে রাজি হলেন না।











‎একপর্যায়ে লোকটি হাঁটা শুরু করলেন। আমি আবার পেছন থেকে তাকে ডাকলাম। বললাম,





‎“ভাই, এই দশ টাকা আমি আপনার কাছ থেকে আজ না হোক, কাল কেয়ামতের দিন আল্লাহর আদালতে উশুল করব।”











‎এই কথাটা বলতেই মুহূর্তের মধ্যে দৃশ্যটা বদলে গেল।











‎লোকটি হঠাৎ ঘুরে আমার দিকে দৌড়ে এল। তার এমন ত্বরিত ফিরে আসা দেখে আমি প্রথমে চমকে উঠলাম। মনে হলো—কি জানি, আবার রেগে গিয়ে হাত তুলবে না তো! বুকের ভেতর অজানা এক শঙ্কা জেগে উঠেছিল।











‎কিন্তু না।











‎সে এসে আমার হাতে ২০ টাকার একটি নোট ধরিয়ে দিল। বলল,





‎“ভাই, আপনি আমাকে মনে করিয়ে দিলেন রবের কথা। আল্লাহর ওয়াস্তে আমাকে ক্ষমা করে দিন।”











‎এই কথাটা বলেই সে দ্রুত চলে গেল।











‎আর আমি—আমি বাকরুদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম। বিস্ময়মিশ্রিত চোখে তার চলে যাওয়ার পথের দিকে তাকিয়ে ভাবছিলাম—কয়েক মুহূর্ত আগেও যে মানুষটা দশ টাকা দিতে রাজি হচ্ছিল না, শেষ বিচারের দিনের কথা, আল্লাহর ভয় মনে পড়তেই সে স্বেচ্ছায় বিশ টাকা দিয়ে ক্ষমা চেয়ে চলে গেল!











‎এই ঘটনাটা আমাকে গভীরভাবে নাড়া দিল। টাকার অঙ্কটা এখানে আসল বিষয় নয়। আসল বিষয় হলো—মানুষের অন্তরে লুকিয়ে থাকা ঈমান, ভয় আর বিবেক। অনেক সময় যুক্তি, তর্ক কিংবা জেদের চেয়ে একটি সত্য উচ্চারণই মানুষের ভেতরের সুপ্ত মানবিকতাকে জাগিয়ে তোলে।











‎আজ বুঝলাম, আল্লাহর স্মরণ মানুষের হৃদয়ে কতটা শক্তিশালী প্রভাব ফেলতে পারে—যা কোনো চাপ, কোনো ঝগড়া দিয়েও সম্ভব হয় না।











‎আটাশ, এক, ছাব্বিশ। 



📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
সেরা ১০ জন পরীক্ষক

  1. শামীমা আকতার

    3 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  2. MdAUKhan

    3 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  3. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    973 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    48 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    127 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-মামুন রেজা

    84 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. Fatematuj Johora

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    2 টি আইডিয়া ব্লগ

...