হাত ছাড়া বালি
কে তুমি—
নামহীন এক টান,
যে আমাকে দিনভর নিজের দিকে ডাকে?
আয়নায় চোখ নামালে
লজ্জা জমে ওঠে মুখে,
বুকের ভেতর ছুটে বেড়ায় অনিয়ন্ত্রিত ঢেউ।
নিজেকে সামলাতে চাই,
কিন্তু হাত ফসকে যায় মন।
আমি ক্রমে হালকা হয়ে পড়ি—
ধরতে গেলেই ঝরে পড়া
মুঠোভরা বালির মতো তুমি।
সহজ নও বলেই
চাওয়াটা গভীর হয়,
রুদ্ধ দরজার সামনে দাঁড়িয়ে
মন বারবার কড়া নাড়ে।
শ্বাসের শব্দে কি তুমি টের পাও
এই আকুলতার ভাষা?
চোখের কাছেই থেকেও
এক শূন্যতা ভেসে ওঠে—
উপস্থিতির মাঝেই অনুপস্থিতি।
এই দ্বিধা থেকে আমাকে মুক্ত করো,
ভাঙা ভারসাম্যে একটু আশ্রয় দাও
যতক্ষণ না নিজেকে ফিরে পাই।
এত জটিল কিছু নয়—
মিথ্যার আড়াল হলেও
একটু নিশ্চিতি দাও,
যেন এই অনুভবের শেষ প্রান্তে
আমি একা নই।
সময় গলে যায়,
অস্থিরতা বাড়ে,
সব কিছুর কেন্দ্রে
তোমারই ছায়া দীর্ঘ হয়।
এ এক যাত্রার শুরু—
পেছনে তাকাবো না আর।
যদি নিজেকে ছুঁড়ে দিই বিশ্বাসে,
তবে শক্ত করে ধরে রেখো।
পৃথিবীর কোনো বাধাই
এই চলাকে থামাতে পারবে না।
[কবিতাটির অর্থ:“কবিতায় একজনের গভীর আকর্ষণ, অভিমান আর শূন্যতার অনুভূতি ফুটেছে, যেখানে প্রেম ও ভরসা মিলিয়ে নিজের নিয়ন্ত্রণ হারানোর আবেগ প্রকাশ করেছি”]