Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

eID: #2702 এর সম্পাদনার ইতিহাস

মূল লেখায় ফিরে যান

বর্তমান ভার্সনসম্পাদনা 02 জানুয়ারি করেছেন রফিক আতা

প্রাগৈতিহাসিক জ্বিন সম্প্রদায়ের অট্টহাসিতীব্র হাশিশের মাতাল উন্মাদনা


“ কী-যে হলো, এখন নতুন ক্যালেন্ডারে



চোখ পড়লেও বনবাদাড়ের ভীষণ দৃশ্যের



ছবি ফুটে ওঠে, কল্যাণের পলায়নে



হতাশায় ডুবে যেতে-যেতে রজ্জু ভেবে সর্পকেই তুলি হাতে।











আবার খুঁড়িয়ে হাঁটবো কি দীর্ঘ ভাঙাচোরা পথে,



যেখানে অনেক মোড়ে আচমকা অতি



ভয়ানক গহ্বর নিষ্ঠুর হাসি ছড়িয়ে তিমিরে



তুমুল লাফিয়ে ওঠে প্রাগৈতিহাসিক জন্তুদের



হিংস্রতায়।”















: বাংলার বিখ্যাত কবি শামসুর রহমানের



“ক্যালেন্ডার পাল্টে গেলে” কবিতা থেকে সংগৃহীত



এই কয়েকটি লাইন যেন আমার বুকের ভেতর



হৃদয় বিদারক চিহ্ন এঁকে দেয়।



সত্যি বলতে গেলে—



নিজের দুর্বল কলমে



মনোজগতের এমন অনুবাদ করতে আমি ব্যর্থ।



তবু বরেণ্যদের কাব্যপথে হেঁটে হেঁটেই



মনে হয়—যেন খানিকটা উপশম পাই,



পাই মনের নিজস্ব অনুবাদ।











—কি যে হলো আমার!



নতুন ক্যালেন্ডারের দিকে তাকাতে পারি না আর।



ভয়ানক এক দৃশ্য চোখে ভেসে ওঠে—



পঁচিশের সুদীর্ঘ এক অরণ্যে



কত চিল-শকুনের থাবায় থাবায় 



মস্তিষ্কটা থেতলে গেছে—



যার ক্ষত আজও কুরে কুরে খায় আমায়।











তাই আলোর ঝলককেই



আধার ভেবে ফেলি কখনো কখনো।



প্রবৃত্তির বশে মঙ্গল থেকে ছিটকে গিয়ে



নর্দমার আস্তাকুঁড়ে গড়াগড়ি খাই।



আর ভীষণ মানসিক চাপে



অকিঞ্চিতকর অবহেলায় রুগ্ন হয়ে



কাতরাতে থাকি এক অকাল বৈধব্যের চিতায়।



হতাশার তীব্র আঁচড়ে



এবড়ো-খেবড়ো হয়ে পড়ে জীবনপাঠ।



ভাববার শক্তিটুকুও হারাই কখনো—



হালকা আঁধারের আধিপত্যে



রশি ভেবে সাপের সঙ্গেই



তুমুল কথোপকথনে লিপ্ত হই।



এ দৃশ্য দেখে অট্টহাসিতে ফেটে পড়ে 



ইতিহাস-পূর্ব যুগের জ্বিনসম্প্রদায়।



তবু ভুল সিদ্ধান্তের ভেতর দিয়েই



খুঁজি সত্যের মহাগ্রন্থ!











—“আবার খুঁড়িয়ে হাঁটবো কি দীর্ঘ ভাঙাচোরা পথে?”



আবার কি পিচলে পড়বো



কোটি বছরের শ্যাওলা-ঢাকা



পথের পিচ্ছিলতায়?



নাকি এবার সত্যিই সজাগ হবো?



সজাগ হবো



তীব্র হাশিশের মাতাল উন্মাদনা থেকে?



নাকি তুমুল হ্যালুসিনেশনে হারিয়ে গিয়ে



বুদ হয়ে থাকবো কোনো অদৃশ্য সুহাসিনীর



নির্মম প্রেমের অতল আকুলতায়?











“আবার খুঁড়িয়ে হাঁটবো কি দীর্ঘ ভাঙাচোরা পথে,



যেখানে অনেক মোড়ে আচমকা অতি



ভয়ানক গহ্বর নিষ্ঠুর হাসি ছড়িয়ে তিমিরে



তুমুল লাফিয়ে ওঠে প্রাগৈতিহাসিক জন্তুদের



হিংস্রতায়।”











না, আর নয়!



এবার অন্তত চোখ মেলি



ছিন্নভিন্ন ঝোপঝাড়ের এই পৃথিবীতে।



একটু মুখ মিশাই



আত্মশুদ্ধির বিশুদ্ধ কোমলপ্রাণ জলে।



এবার অন্তত শৈত্যের বুক চিরে



নবজোয়ারের অনল প্রবাহ বৃদ্ধি করি—



যেন ছাইয়ের নিচে লুকানো অঙ্গার



জ্বলে ওঠে আবার,



আর অন্ধকারের বুকে



ফুটে ওঠে একটি ক্ষীণ—



তবু অটুট আলোর রেখা।











রফিক আতা



১.১.২০২৬ ইং



বৃহস্পতিবার 



alt="image" src="https://idea.enolej.com/?qa=blob&qa_blobid=6881933169000770541">

src="https://idea.enolej.com/?qa=blob&qa_blobid=6881933169000770541" alt="image">

লিখেছেন 01 জানুয়ারি , লেখক: রফিক আতা

প্রাগৈতিহাসিক জ্বিন সম্প্রদায়ের অট্টহাসি



“ কী-যে হলো, এখন নতুন ক্যালেন্ডারে



চোখ পড়লেও বনবাদাড়ের ভীষণ দৃশ্যের



ছবি ফুটে ওঠে, কল্যাণের পলায়নে



হতাশায় ডুবে যেতে-যেতে রজ্জু ভেবে সর্পকেই তুলি হাতে।











আবার খুঁড়িয়ে হাঁটবো কি দীর্ঘ ভাঙাচোরা পথে,



যেখানে অনেক মোড়ে আচমকা অতি



ভয়ানক গহ্বর নিষ্ঠুর হাসি ছড়িয়ে তিমিরে



তুমুল লাফিয়ে ওঠে প্রাগৈতিহাসিক জন্তুদের



হিংস্রতায়।”















: বাংলার বিখ্যাত কবি শামসুর রহমানের



“ক্যালেন্ডার পাল্টে গেলে” কবিতা থেকে সংগৃহীত



এই কয়েকটি লাইন যেন আমার বুকের ভেতর



হৃদয় বিদারক চিহ্ন এঁকে দেয়।



সত্যি বলতে গেলে—



নিজের দুর্বল কলমে



মনোজগতের এমন অনুবাদ করতে আমি ব্যর্থ।



তবু বরেণ্যদের কাব্যপথে হেঁটে হেঁটেই



মনে হয়—যেন খানিকটা উপশম পাই,



পাই মনের নিজস্ব অনুবাদ।











—কি যে হলো আমার!



নতুন ক্যালেন্ডারের দিকে তাকাতে পারি না আর।



ভয়ানক এক দৃশ্য চোখে ভেসে ওঠে—



পঁচিশের সুদীর্ঘ এক অরণ্যে



কত চিল-শকুনের থাবায় থাবায় 



মস্তিষ্কটা থেতলে গেছে—



যার ক্ষত আজও কুরে কুরে খায় আমায়।











তাই আলোর ঝলককেই



আধার ভেবে ফেলি কখনো কখনো।



প্রবৃত্তির বশে মঙ্গল থেকে ছিটকে গিয়ে



নর্দমার আস্তাকুঁড়ে গড়াগড়ি খাই।



আর ভীষণ মানসিক চাপে



অকিঞ্চিতকর অবহেলায় রুগ্ন হয়ে



কাতরাতে থাকি এক অকাল বৈধব্যের চিতায়।



হতাশার তীব্র আঁচড়ে



এবড়ো-খেবড়ো হয়ে পড়ে জীবনপাঠ।



ভাববার শক্তিটুকুও হারাই কখনো—



হালকা আঁধারের আধিপত্যে



রশি ভেবে সাপের সঙ্গেই



তুমুল কথোপকথনে লিপ্ত হই।



এ দৃশ্য দেখে অট্টহাসিতে ফেটে পড়ে 



ইতিহাস-পূর্ব যুগের জ্বিনসম্প্রদায়।



তবু ভুল সিদ্ধান্তের ভেতর দিয়েই



খুঁজি সত্যের মহাগ্রন্থ!











—“আবার খুঁড়িয়ে হাঁটবো কি দীর্ঘ ভাঙাচোরা পথে?”



আবার কি পিচলে পড়বো



কোটি বছরের শ্যাওলা-ঢাকা



পথের পিচ্ছিলতায়?



নাকি এবার সত্যিই সজাগ হবো?



সজাগ হবো



তীব্র হাশিশের মাতাল উন্মাদনা থেকে?



নাকি তুমুল হ্যালুসিনেশনে হারিয়ে গিয়ে



বুদ হয়ে থাকবো কোনো অদৃশ্য সুহাসিনীর



নির্মম প্রেমের অতল আকুলতায়?











“আবার খুঁড়িয়ে হাঁটবো কি দীর্ঘ ভাঙাচোরা পথে,



যেখানে অনেক মোড়ে আচমকা অতি



ভয়ানক গহ্বর নিষ্ঠুর হাসি ছড়িয়ে তিমিরে



তুমুল লাফিয়ে ওঠে প্রাগৈতিহাসিক জন্তুদের



হিংস্রতায়।”











না, আর নয়!



এবার অন্তত চোখ মেলি



ছিন্নভিন্ন ঝোপঝাড়ের এই পৃথিবীতে।



একটু মুখ মিশাই



আত্মশুদ্ধির বিশুদ্ধ কোমলপ্রাণ জলে।



এবার অন্তত শৈত্যের বুক চিরে



নবজোয়ারের অনল প্রবাহ বৃদ্ধি করি—



যেন ছাইয়ের নিচে লুকানো অঙ্গার



জ্বলে ওঠে আবার,



আর অন্ধকারের বুকে



ফুটে ওঠে একটি ক্ষীণ—



তবু অটুট আলোর রেখা।











রফিক আতা



১.১.২০২৬ ইং



বৃহস্পতিবার 



image


📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
সেরা ১০ জন পরীক্ষক

  1. শামীমা আকতার

    3 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  2. রফিক আতা

    3 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  3. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    2 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  4. MdAUKhan

    1 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  5. রাতিন আহমেদ

    1 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    2244 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    111 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. Monsoon Harmony

    904 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    45 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. Mayabi Ilmaz Megh

    828 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    41 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. রফিক আতা

    367 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    18 টি আইডিয়া ব্লগ

...