Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

eID: #1703 এর সম্পাদনার ইতিহাস

মূল লেখায় ফিরে যান

বর্তমান ভার্সনসম্পাদনা 02 ডিসেম্বর 2025 করেছেন প্রিন্স ফ্রেরাসে

ইসলামে কি হরতাল করা নিষিদ্ধ ?

#হরতালকে_ইসলাম_কি_নিষিদ্ধ_বলে??

আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ 

অনেকে দেখতাছি বিএনপির হরতালকে ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক করতে চাইছে। আরেক দল তো একটা কম হাদীস দিয়ে হরতালকে কুফরি শিরক বলছে এমন কি বেদআতও বলছে। এক শ্রেণির জ্ঞান প্রতিবন্ধি এসব করছে। মূল হাদীসটাতে যাওয়ার পূর্বে আগে 

*হরতাল

*বেদআত

*কুফরি

*শিরক 

এর ডেফিনিশন দেখে নেই 

★ হরতাল : সাধারণ তো কোনো দাবি পূরণের লক্ষ্যে ( এক) গোষ্ঠী / জাতি বা এক অথবা একাধিক দলের ঐক্য সম্মিলিত ধর্ম ঘটকে হরতাল বলে 

★ বেদআত : ইসলাম এতে ইবাদতের মধ্যে নতুন কিছু বিষয় সংযোজন( ও বিয়োজন) হলো বেদআত  

★কুফরি: কোরআন হাদীস অথবা ইসলামের কোনো বিষয় এর প্রতি ইমান না আনাটাই মূলত কুফরি 

★ শিরক : আল্লাহর সাথে অন্য কোনো কিছুর সাব্যস্ত করাটাই হলো শিরক 

এখন আসি পয়েন্টেে 

হরতাল কি সেটা আমরা উপরের সাধারণ তো সংজ্ঞা থেকে বুঝতে পারলাম । সাথে আমি অতি সাধারণ ভাবে কুফরি বেদআত ও শিরক এর... । এখন কথা হলো হরতাল কি ইবাদতের সাথে বা ইমান এর সাথে সম্পর্কিত.?? উত্তর হলো না একদমই না। হরতাল এটা একটা গুজরাটি শব্দ । যেটা মহাাত্মা গান্ধীজি ব্যবহার করেছিলেন বৃটিশদের বিরুদ্ধে ( সূত্র : বাংলা উইকিপিডিয়া ) তো যেই শব্দটার সাথে ইবাদত ও ইমান এর কোনো সম্পর্কেই সেটা কুফরি শিরক বেদআত হয় কি করে??? আসলে এদেশের মুসলিম আবেগি। আর এক শ্রেণির লোক সবকিছুতেই ধর্ম টানে। কে কখন হা_গু করবে সেটাও মনে হয় ধর্ম বিচার করবে। ইসলাম এসেছে হেদায়াতের জন্য ; আপনি কখন কতটুকু আওয়াজে পা* দিবেন সেটা হিসাব করার জন্য না। তো বুঝতে পারলাম যে হরতাল কোনো শিরক না, কারণ হরতালকে কেও আল্লাহর সাথে সাব্যস্ত করে না। হরতাল কোনো কুফরি না কারণ হরতালকে কেও কোরআন হাদীসের উপর স্থান দেয় না। হরতাল কোনো বেদআত না কারণ পাচ ওয়াক্ত নামায ( যে কোনো ইবাদত) এর আগে হরতাল সংগঠিত করে না ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি। এখন আসি সেই হাদীসটাতে। যেই হাদীসটা দিয়ে হরতাল কে বাতিল কর হয়।  

হাদীসটা হলো

" রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘এক ব্যক্তি রাস্তায় পতিত একটি গাছের ডালের নিকট দিয়ে যাওয়ার সময় বলল, অবশ্যই আমি এ ডাল রাস্তা হ’তে সরিয়ে ফেলব। যাতে এটা তাদের কষ্ট না দেয়। অতঃপর সে সেটা সরিয়ে ফেলল। ফলে তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হ’ল’ (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/১৮০৯)

প্রথম কথা 

উক্ত হাদীস এতে সুন্দর ভাবেই বলা হচ্ছে যে " রাস্তাই কোনো কষ্টকর জিনিস থাকলে তা সড়িয়ে দিতে " 

এই হাদীস দ্বারা কোন এঙ্গেল থেকে হরতাল নিষিদ্ধ হলে আমি বুঝলাম না! আমরা যখন হরতাল করি তখন কি রাস্তাতে ময়লা- আবর্জনা ফেলে রেখে যায় নাকি?? যে ময়লা আবর্জনা ফেলে যায় যেটা মানুষকে কষ্ট দেয় তাই হরতাল হারাম। দুটো কথা মনে রাখতে হবে 

১. হরতাল যখন করা হয় তখন যাবতীয় ব্যবস্থা নিয়ে করা হয়, সেখানে আইন এর লোক থাকে। বিকল্প হিসাবে অন্য রাস্তায় থাকে যেখান দিয়ে জরুরি সেবা হিসাবে এম্বুলেন্স চলা ফেরা করবে ইত্যাদি ইত্যাদি ।  

২. হরতাল দ্বারা আমরা ময়লা আবর্জনা করি না বরং দেশ থেকে মানুষ রুপি কিছু গরু ছাগলকে মিশিয়ে ফেলি যারা ময়লা স্বরুপ। তাইহাদীস অনুসারে হরতাল হারাম না বরং হালাল কারন হাদীসে বলা হয়েছে " কষ্টকর জিনিস সড়িয়ে ফেলতে " আর আমরা হরতালের মাধ্যমে" রাষ্ট থেকে ওই সকল মত ও পথের ব্যাক্তিদের শেষ করে যারা দেশ ও মানুষের জন্য কষ্টকর।

তো আমরা বুঝতে পাচ্ছি যে 

উক্ত হাদীস দ্বারা কোনো এঙ্গেল থেকে হরতাল হারাম এটা প্রমাণ হচ্ছে না। বাংলাদেশি এক শ্রেণির লোকের কাজই হলো তিলকে তাল বানানো। হাদীসে বলে একটা এরা বুঝাই আরেকটা। যখন আওয়ামী লীগ হরতাল করে তখন কোথাও দেখলাম না যে এটা বলতে " হরতাল হারাম " আর ২৮ তারিখে এদেশের সচেতন মানুষ দেশের জন্য এবং ১০ এর কল্যানে হরতাল করল তখনি সেটা হারাম হয়ে গেলো। বাহ কি চমৎকার।  

তো একটা উসূল এর কথা মনে করিয়ে লেখাটা শেষ করছি

" কোনো কিছু হারাম বলতে গেলে কোরআন হাদীসের সুস্পষ্ট দলীল লাগবে " 

তাই হরতালকে বাতিল করতে গেলে সুস্পষ্ট দলীল আনুন আগে । 

লেখাটা পড়ার জন্য ধন্যবাদ

মোঃ মেহেদী হাসান ✍️
লিখেছেন 02 ডিসেম্বর 2025 , লেখক: প্রিন্স ফ্রেরাসে

ইসলামে কি হরতাল করা নিষিদ্ধ ?

#হরতালকে_ইসলাম_কি_নিষিদ্ধ_বলে??

আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ 

অনেকে দেখতাছি বিএনপির হরতালকে ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক করতে চাইছে। আরেক দল তো একটা কম হাদীস দিয়ে হরতালকে কুফরি শিরক বলছে এমন কি বেদআতও বলছে। এক শ্রেণির জ্ঞান প্রতিবন্ধি এসব করছে। মূল হাদীসটাতে যাওয়ার পূর্বে আগে 

*হরতাল

*বেদআত

*কুফরি

*শিরক 

এর ডেফিনিশন দেখে নেই 

★ হরতাল : সাধারণ তো কোনো দাবি পূরণের লক্ষ্যে ( এক) গোষ্ঠী / জাতি বা এক অথবা একাধিক দলের ঐক্য সম্মিলিত ধর্ম ঘটকে হরতাল বলে 

★ বেদআত : ইসলাম এতে ইবাদতের মধ্যে নতুন কিছু বিষয় সংযোজন( ও বিয়োজন) হলো বেদআত  

★কুফরি: কোরআন হাদীস অথবা ইসলামের কোনো বিষয় এর প্রতি ইমান না আনাটাই মূলত কুফরি 

★ শিরক : আল্লাহর সাথে অন্য কোনো কিছুর সাব্যস্ত করাটাই হলো শিরক 

এখন আসি পয়েন্টেে 

হরতাল কি সেটা আমরা উপরের সাধারণ তো সংজ্ঞা থেকে বুঝতে পারলাম । সাথে আমি অতি সাধারণ ভাবে কুফরি বেদআত ও শিরক এর... । এখন কথা হলো হরতাল কি ইবাদতের সাথে বা ইমান এর সাথে সম্পর্কিত.?? উত্তর হলো না একদমই না। হরতাল এটা একটা গুজরাটি শব্দ । যেটা মহাাত্মা গান্ধীজি ব্যবহার করেছিলেন বৃটিশদের বিরুদ্ধে ( সূত্র : বাংলা উইকিপিডিয়া ) তো যেই শব্দটার সাথে ইবাদত ও ইমান এর কোনো সম্পর্কেই সেটা কুফরি শিরক বেদআত হয় কি করে??? আসলে এদেশের মুসলিম আবেগি। আর এক শ্রেণির লোক সবকিছুতেই ধর্ম টানে। কে কখন হা_গু করবে সেটাও মনে হয় ধর্ম বিচার করবে। ইসলাম এসেছে হেদায়াতের জন্য ; আপনি কখন কতটুকু আওয়াজে পা* দিবেন সেটা হিসাব করার জন্য না। তো বুঝতে পারলাম যে হরতাল কোনো শিরক না, কারণ হরতালকে কেও আল্লাহর সাথে সাব্যস্ত করে না। হরতাল কোনো কুফরি না কারণ হরতালকে কেও কোরআন হাদীসের উপর স্থান দেয় না। হরতাল কোনো বেদআত না কারণ পাচ ওয়াক্ত নামায ( যে কোনো ইবাদত) এর আগে হরতাল সংগঠিত করে না ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি। এখন আসি সেই হাদীসটাতে। যেই হাদীসটা দিয়ে হরতাল কে বাতিল কর হয়।  

হাদীসটা হলো

" রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘এক ব্যক্তি রাস্তায় পতিত একটি গাছের ডালের নিকট দিয়ে যাওয়ার সময় বলল, অবশ্যই আমি এ ডাল রাস্তা হ’তে সরিয়ে ফেলব। যাতে এটা তাদের কষ্ট না দেয়। অতঃপর সে সেটা সরিয়ে ফেলল। ফলে তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হ’ল’ (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/১৮০৯)

প্রথম কথা 

উক্ত হাদীস এতে সুন্দর ভাবেই বলা হচ্ছে যে " রাস্তাই কোনো কষ্টকর জিনিস থাকলে তা সড়িয়ে দিতে " 

এই হাদীস দ্বারা কোন এঙ্গেল থেকে হরতাল নিষিদ্ধ হলে আমি বুঝলাম না! আমরা যখন হরতাল করি তখন কি রাস্তাতে ময়লা- আবর্জনা ফেলে রেখে যায় নাকি?? যে ময়লা আবর্জনা ফেলে যায় যেটা মানুষকে কষ্ট দেয় তাই হরতাল হারাম। দুটো কথা মনে রাখতে হবে 

১. হরতাল যখন করা হয় তখন যাবতীয় ব্যবস্থা নিয়ে করা হয়, সেখানে আইন এর লোক থাকে। বিকল্প হিসাবে অন্য রাস্তায় থাকে যেখান দিয়ে জরুরি সেবা হিসাবে এম্বুলেন্স চলা ফেরা করবে ইত্যাদি ইত্যাদি ।  

২. হরতাল দ্বারা আমরা ময়লা আবর্জনা করি না বরং দেশ থেকে মানুষ রুপি কিছু গরু ছাগলকে মিশিয়ে ফেলি যারা ময়লা স্বরুপ। তাইহাদীস অনুসারে হরতাল হারাম না বরং হালাল কারন হাদীসে বলা হয়েছে " কষ্টকর জিনিস সড়িয়ে ফেলতে " আর আমরা হরতালের মাধ্যমে" রাষ্ট থেকে ওই সকল মত ও পথের ব্যাক্তিদের শেষ করে যারা দেশ ও মানুষের জন্য কষ্টকর।

তো আমরা বুঝতে পাচ্ছি যে 

উক্ত হাদীস দ্বারা কোনো এঙ্গেল থেকে হরতাল হারাম এটা প্রমাণ হচ্ছে না। বাংলাদেশি এক শ্রেণির লোকের কাজই হলো তিলকে তাল বানানো। হাদীসে বলে একটা এরা বুঝাই আরেকটা। যখন আওয়ামী লীগ হরতাল করে তখন কোথাও দেখলাম না যে এটা বলতে " হরতাল হারাম " আর ২৮ তারিখে এদেশের সচেতন মানুষ দেশের জন্য এবং ১০ এর কল্যানে হরতাল করল তখনি সেটা হারাম হয়ে গেলো। বাহ কি চমৎকার।  

তো একটা উসূল এর কথা মনে করিয়ে লেখাটা শেষ করছি

" কোনো কিছু হারাম বলতে গেলে কোরআন হাদীসের সুস্পষ্ট দলীল লাগবে " 

তাই হরতালকে বাতিল করতে গেলে সুস্পষ্ট দলীল আনুন আগে । 

লেখাটা পড়ার জন্য ধন্যবাদ

মোঃ মেহেদী হাসান ✍️
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
সেরা ১০ জন পরীক্ষক

  1. শামীমা আকতার

    3 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  2. MdAUKhan

    3 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  3. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    973 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    48 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    127 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-মামুন রেজা

    84 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. Fatematuj Johora

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    2 টি আইডিয়া ব্লগ

...