Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

eID: #1679 এর সম্পাদনার ইতিহাস

মূল লেখায় ফিরে যান

বর্তমান ভার্সনসম্পাদনা 02 ডিসেম্বর 2025 করেছেন প্রিন্স ফ্রেরাসে

ফিলিস্তিন ভূমির প্রকৃত মালিক কে?

#একটি_যুক্তিসঙ্গত_ও_নিরপেক্ষ_আলোচনা

ফিলিস্তিন ভূমির প্রকৃত মালিক আসলে কারা?? 

মুসলিমরা নাকি ইহুদিরা ??  

আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ 

 বলা হয়ে থাকে আব্রাহামিক ধর্মের পবিত্র তীর্থস্থান হলো ফিলিস্তিন। কিন্তু মূল কথা হলো এই ভূমির প্রকৃত মালিক কে?? প্রশ্নের উত্তর খোঁজার জন্য আমরা চলে যাবো ইহুদি ও খ্রিষ্টানদের বাইবেলে। বুক অফ জেনেসিস এর অধ্যায় ২১ পদ ৩৪ এতে বলা আছে যে " অব্রাহাম পলেষ্টীয়দের দেশে বহুকাল বাস করলেন|

আদিপুস্তক 21:34

আমরা উক্ত পদ দ্বারা এটা বুঝতে পাচ্ছি যে নবী ইব্রাহিম ছিলেন ওইখানে প্রবাসী Not মূল নিবাসি। ইব্রাহিম নবী থেকেই কিন্তু ( তার বংশধর থেকে) ইহুদিরা এসেছেন। আর ফিলিস্তিন ভূমিতে যারা ছিল তাদের সকলে কিন্তু ইহুদি ধর্ম গ্রহণ করে নি। বিরাট একটা অংশ পৌত্তলিক ছিল। আর এই পৌত্তলিক দ্বারা সর্বপ্রথম ইহুদিরা আক্রান্ত হয়। তখন তারা ওইখান থেকে মিশরে চলে যায় ( ছড়িয়ে ছিটিয়ে যায় বিভিন্ন ভূ- খন্ডে) পরবর্তীতে তারা বিভিন্ন জাতি দ্বারা লাঞ্চিত হতে থাকে। মূসা আসেন তাদের ত্রাণকর্তা হিসাবে। তিনিই তাদের মুক্ত করেন। তো আমরা এতটুকুতে বুঝতে পারলাম যে " ফিলিস্তিন এর দুটো অংশের এক অংশ পৌত্তলিক ছিল এবং আরেক অংশ ইহুদি ছিল। পরবর্তীতে তারা ফিলিস্তিন থেকে প্রস্থান করে। পরবর্তী সময়ে উক্ত পৌত্তলিক জাতি মুসলিম হয়ে যায় ।

  [ উল্লেখ্য বাইবেলের তথ্য অনুসারে ইব্রাহিম এর পুত্র ইসমাইল থেকে একটা জাতি সৃষ্টি করা হবে, ভার্সটা দেখুন 

" কিন্তু তোমার দাসী পুত্রকেও আমি আশীর্বাদ করব| সে তোমার পুত্র সুতরাং তার পরিবার থেকেও আমি এক মহান জাতি সৃষ্টি করব|”

আদিপুস্তক 21:13

কোনো সন্দেহ নেই যে এই জাতিটা আমরা মুসলিমরাই ( এই সম্পর্কে অনেক তথ্য প্রমাণ আমাদের কাছে বিদ্যমান আছে) ] 

তো আমরা বুঝতে পারলাম যে ফিলিস্তিন এক সময় পৌত্তলিকদের ছিল এবং এর দুটো অংশ দুই ধর্মে ( মাঝখানে এরা আবার কিছুটা খ্রিষ্টান দ্বারা প্রভাবিত হয়, এমনকি অন্য গৌষ্ঠী দ্বারাও প্রভাবিত হতে পারে) দীক্ষিত হয়। প্রথমে ইহুদি পরবর্তীতে মুসলিম শাসন আমলে মুসলিম। এখন কথা হলো বর্তমানে ফিলিস্তিন ভূমির আসল মালিক কে???? উত্তর হবে মুসলিম 

একটু যুক্তি দিয়ে চিন্তা করুন। ধরুন আপনিসহ আপনার পরিবার একটা বাসে উঠলেন। কিছু সময় পর আপনারা ( কোনো এক কারণে) আপনাদের বসার সিট ছেড়ে চলে গেলেন। তখন কিন্তু বাসের খালি সিট গুলো অন্য লোক দ্বারা পূর্ণ হয়ে যাবে ( নতুন করে যারা বাসে উঠেছিল) । এখন আপনি পরেরদিন বাসে এসে দেখলেন যে " আপনার বসার সিটটা আরেক জনের দখলে। এখন কিন্তু আপনি কোনো ক্রমেই এটা বলতে পারবেন না যে আগের দিন আপনি বাসে উঠেছিলেন আর উক্ত সিটে বসে ছিলেন তাই সিট আপনাদের। ঠিক ওই রকম ভাবে যুগের পর যুগ ধরে আমরা মুসলিমরা ( আগে ছিল পৌত্তলিক আর এই পৌত্তলিকরাই পরবর্তীতে মুসলি৷ হয় বহিরাতগ অর্থাৎ আরব এর মুসলিমদের দাওয়াত এর মাধ্যমে। আরবীয় মুসলিম ফিলিস্তিন এসে ওইখানেই বসবাস করা শুরু করে এক অংশ তাদের মাধ্যমেই উক্ত যায়গার সকলে মুসলিম হয়) আমরা মুসলিমরা ফিলিস্তিনে বসবাস করে আসছি তাই হঠাৎ করে কেও এসে জোড় করে ভূমি দখল করে বাপ দাদার চৌদ্দ - গৌস্ঠীর আগের ইতিহাস নিয়ে এসে বলবে যে " এই ভূমির মালিক আমরা" তাহলে তারা পাগল ছাড়া কিছুই না। তাই বলা যায় যে আমরা মুসলিমরাই বর্তমান ফিলিস্তিন ভূ- খন্ড এর অংশ। আর এই ইহুদিরা কত বড় বেিমান। ১৯৩০ দশক এর পর থেকে আমরাই এদের আশ্রয় দিলাম আর এরা এখন আমাদের ৮০% ভূমি দখল করে বসে আছি। 

আমরা আমাদের ভূমি কখনোই ছাড়তে রাজি না ইনশাআল্লাহ ✊✊✊। ফিলিস্তিন আমাদের আমাদের শুধুই আমাদের। 

আশা করি কথা ক্লিয়ার 

তো সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন 

মোঃ মেহেদী হাসান ✍️✍️✍️

✍️

আল্লাহ হাফেজ, আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ
লিখেছেন 01 ডিসেম্বর 2025 , লেখক: প্রিন্স ফ্রেরাসে

ফিলিস্তিন ভূমির প্রকৃত মালিক কে?

#একটি_যুক্তিসঙ্গত_ও_নিরপেক্ষ_আলোচনা

ফিলিস্তিন ভূমির প্রকৃত মালিক আসলে কারা?? 

মুসলিমরা নাকি ইহুদিরা ??  

আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ 

 বলা হয়ে থাকে আব্রাহামিক ধর্মের পবিত্র তীর্থস্থান হলো ফিলিস্তিন। কিন্তু মূল কথা হলো এই ভূমির প্রকৃত মালিক কে?? প্রশ্নের উত্তর খোঁজার জন্য আমরা চলে যাবো ইহুদি ও খ্রিষ্টানদের বাইবেলে। বুক অফ জেনেসিস এর অধ্যায় ২১ পদ ৩৪ এতে বলা আছে যে " অব্রাহাম পলেষ্টীয়দের দেশে বহুকাল বাস করলেন|

আদিপুস্তক 21:34

আমরা উক্ত পদ দ্বারা এটা বুঝতে পাচ্ছি যে নবী ইব্রাহিম ছিলেন ওইখানে প্রবাসী Not মূল নিবাসি। ইব্রাহিম নবী থেকেই কিন্তু ( তার বংশধর থেকে) ইহুদিরা এসেছেন। আর ফিলিস্তিন ভূমিতে যারা ছিল তাদের সকলে কিন্তু ইহুদি ধর্ম গ্রহণ করে নি। বিরাট একটা অংশ পৌত্তলিক ছিল। আর এই পৌত্তলিক দ্বারা সর্বপ্রথম ইহুদিরা আক্রান্ত হয়। তখন তারা ওইখান থেকে মিশরে চলে যায় ( ছড়িয়ে ছিটিয়ে যায় বিভিন্ন ভূ- খন্ডে) পরবর্তীতে তারা বিভিন্ন জাতি দ্বারা লাঞ্চিত হতে থাকে। মূসা আসেন তাদের ত্রাণকর্তা হিসাবে। তিনিই তাদের মুক্ত করেন। তো আমরা এতটুকুতে বুঝতে পারলাম যে " ফিলিস্তিন এর দুটো অংশের এক অংশ পৌত্তলিক ছিল এবং আরেক অংশ ইহুদি ছিল। পরবর্তীতে তারা ফিলিস্তিন থেকে প্রস্থান করে। পরবর্তী সময়ে উক্ত পৌত্তলিক জাতি মুসলিম হয়ে যায় ।

  [ উল্লেখ্য বাইবেলের তথ্য অনুসারে ইব্রাহিম এর পুত্র ইসমাইল থেকে একটা জাতি সৃষ্টি করা হবে, ভার্সটা দেখুন 

" কিন্তু তোমার দাসী পুত্রকেও আমি আশীর্বাদ করব| সে তোমার পুত্র সুতরাং তার পরিবার থেকেও আমি এক মহান জাতি সৃষ্টি করব|”

আদিপুস্তক 21:13

কোনো সন্দেহ নেই যে এই জাতিটা আমরা মুসলিমরাই ( এই সম্পর্কে অনেক তথ্য প্রমাণ আমাদের কাছে বিদ্যমান আছে) ] 

তো আমরা বুঝতে পারলাম যে ফিলিস্তিন এক সময় পৌত্তলিকদের ছিল এবং এর দুটো অংশ দুই ধর্মে ( মাঝখানে এরা আবার কিছুটা খ্রিষ্টান দ্বারা প্রভাবিত হয়, এমনকি অন্য গৌষ্ঠী দ্বারাও প্রভাবিত হতে পারে) দীক্ষিত হয়। প্রথমে ইহুদি পরবর্তীতে মুসলিম শাসন আমলে মুসলিম। এখন কথা হলো বর্তমানে ফিলিস্তিন ভূমির আসল মালিক কে???? উত্তর হবে মুসলিম 

একটু যুক্তি দিয়ে চিন্তা করুন। ধরুন আপনিসহ আপনার পরিবার একটা বাসে উঠলেন। কিছু সময় পর আপনারা ( কোনো এক কারণে) আপনাদের বসার সিট ছেড়ে চলে গেলেন। তখন কিন্তু বাসের খালি সিট গুলো অন্য লোক দ্বারা পূর্ণ হয়ে যাবে ( নতুন করে যারা বাসে উঠেছিল) । এখন আপনি পরেরদিন বাসে এসে দেখলেন যে " আপনার বসার সিটটা আরেক জনের দখলে। এখন কিন্তু আপনি কোনো ক্রমেই এটা বলতে পারবেন না যে আগের দিন আপনি বাসে উঠেছিলেন আর উক্ত সিটে বসে ছিলেন তাই সিট আপনাদের। ঠিক ওই রকম ভাবে যুগের পর যুগ ধরে আমরা মুসলিমরা ( আগে ছিল পৌত্তলিক আর এই পৌত্তলিকরাই পরবর্তীতে মুসলি৷ হয় বহিরাতগ অর্থাৎ আরব এর মুসলিমদের দাওয়াত এর মাধ্যমে। আরবীয় মুসলিম ফিলিস্তিন এসে ওইখানেই বসবাস করা শুরু করে এক অংশ তাদের মাধ্যমেই উক্ত যায়গার সকলে মুসলিম হয়) আমরা মুসলিমরা ফিলিস্তিনে বসবাস করে আসছি তাই হঠাৎ করে কেও এসে জোড় করে ভূমি দখল করে বাপ দাদার চৌদ্দ - গৌস্ঠীর আগের ইতিহাস নিয়ে এসে বলবে যে " এই ভূমির মালিক আমরা" তাহলে তারা পাগল ছাড়া কিছুই না। তাই বলা যায় যে আমরা মুসলিমরাই বর্তমান ফিলিস্তিন ভূ- খন্ড এর অংশ। আর এই ইহুদিরা কত বড় বেিমান। ১৯৩০ দশক এর পর থেকে আমরাই এদের আশ্রয় দিলাম আর এরা এখন আমাদের ৮০% ভূমি দখল করে বসে আছি। 

আমরা আমাদের ভূমি কখনোই ছাড়তে রাজি না ইনশাআল্লাহ ✊✊✊। ফিলিস্তিন আমাদের আমাদের শুধুই আমাদের। 

আশা করি কথা ক্লিয়ার 

তো সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন 

মোঃ মেহেদী হাসান ✍️✍️✍️

আল্লাহ হাফেজ, আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
সেরা ১০ জন পরীক্ষক

  1. MdAUKhan

    10 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  2. তামান্না আক্তার

    6 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  3. রফিক আতা

    5 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  4. মুহাম্মদ সালমান

    5 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  5. শামীমা আকতার

    3 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  6. আল-মামুন রেজা

    2 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  7. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    2 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  8. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    1 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1119 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    55 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মাহাতাব হোসেন অপল

    170 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    8 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. রফিক আতা

    146 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    7 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    124 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

...