Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

eID: #1678 এর সম্পাদনার ইতিহাস

মূল লেখায় ফিরে যান

বর্তমান ভার্সনসম্পাদনা 02 ডিসেম্বর 2025 করেছেন প্রিন্স ফ্রেরাসে

ইসলামে কি ুটের উটের মূত্র খাওয়ার কথা বলা আছে?

ইসলামে কি উটের মূত্র খাওয়ার কথা বলে❓❔

ইসলামে কি উটের মূত্র খাওয়ার কথা বলে? 

আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ 

আমরা অনেক সময় সনাতনিদের কাছ থেকে শুনতে পায় পাই যে আমরা মুসলিমরা নাকি উটের মূত্র পান করি। আমরা যখন সনাতনিদের বলি যে তোমরা গো মূত্র খাও ( হিন্দু ধর্মে গোমূত্র খাওয়া শাস্ত্রীয় বিধান ; রেফারেন্স : ভবিষ্যৎ পুরাণ উত্তর পর্ব-১৫/৩১। এছাড়াও দয়ানন্দ সরস্বতী বলছেন গরুর গোবর খেলে আয়ু বৃদ্ধি হয়, রোগ নাশ হয় স্বাস্থ্য লাভ হয় : সত্যার্থ প্রকাশ দশম সমুল্লাস ; পৃষ্ঠা -২৪৪) কেন তখন তারা আমাদের পাল্টা বলে যে তোমরা উট- মূত্র খাও কেন। আর নাস্তিকরাও অনেক সময় আমাদেরকে নিয়ে টিটকারি করে এই বিষয়টা নিয়ে। অনেকে তো আবার বলে এটা নাকি নবীজির সুন্নত ( আল্লাহ রব্বুল আলামীন মাফ করুক) । 

তাই এখন এই বিষয়টা ক্লিয়ার করব ইনশাআল্লাহ ।  

প্রথমত দেখি আসি হাদীস এতে কি বলা হয়েছে " আনাস (রা) হতে বর্ণিত যে, “উকল/উরায়না” গোত্রের কিছু মানুষের একটি দল রসূলুল্লাহ ﷺ এর নিকট আসলো। তারা রসূলুল্লাহ ﷺ এর কাছে ইসলামের উপর বাই’আত করল। অতঃপর মদীনার আবহাওয়া তাদের প্রতিকূল হওয়ায় তাদের কয়েকজন অসুস্থ হয়ে পরে, অন্য বর্ণনায় এসেছে তাদের পেটে ব্যথা শুরু হয়, পেট ফেঁপে উঠে ও তাদের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কাঁপতে থাকে। এ ব্যাপারে তারা রসূলুল্লাহ ﷺ এর নিকট অভিযোগ করল। নবি ﷺ বললেনঃ তোমরা কি আমাদের রাখালের সাথে গমন করে উটের মূত্র এবং দুগ্ধ পান করতে পারবে? তখন তারা বলল, জী- হ্যাঁ, অন্য বর্ণায় এসেছে তারা নিজেরাই অনুরোধ করেছিল। এরপর তারা বের হয়ে গেলে এবং এর (উটের) মূত্র ও দুগ্ধ পান করল। এতে তারা সুস্থ হয়ে গেল অতঃপর তারা রাখালকে হত্যা করে উটগুলো হাঁকিয়ে নিয়ে গেলে। এ সংবাদ রসূলুল্লাহ ﷺ এর নিকট পৌছল। তিনি তাদের পিছনে লোক পাঠালেন। তারা তাদেরকে পাকড়াও করে নিয়ে এল। তাদের প্রতি শাস্তির নির্দেশ জারি করা হল। 

এই হলো সেই হাদীসটা, লক্ষ্য করুন হাদীস এতে কিন্তু কোনো মুসলিমকে বলা হয় নি যে তোমরা উটের মূত্র বা মল খাও। যাদেরকে উটের মূত্র খেতে দেওয়া হয়েছে তাঁরা ছিল মুনাফিক। আর উটের মূত্র সরাসরি না দিয়ে দুধের সাথে তা মিক্স করে দিয়েছে। আমাদের বুঝতে হবে যে মহানবি ﷺ নিজের পুরো জীবন দশাতে কখনো উটের মূত্র পান করেন নি, নিজের কোন সাহাবিকে উটের মূত্র পান করতে বলেন নি, কোন সাহাবিও উটের মূত্র পান করেছেন বা পান করার উপদেশ দিয়েছে এমন সহিহ বর্ণনা পাওয়া যায় না। তাবেঈদের থেকেও এমন কোন সহিহ বর্ণনা পাওয়া যায় না। আমাদের নবি বা সাহাবি বা তাবেঈ বা তাবে তাবেঈনদের কেউ অযথা কোন কারণ ছাড়া উটের মূত্র পান করেছেন এমন কোন সহিহ বা হাসান হাদিস পাওয়া যায় না। এই থেকেই বুঝা যাচ্ছে যে যারা বলে ইসলামে উটের মূত্র পান করা সুন্নত তাদের এই মন্তব্যটা আসলে তাদের জ্ঞানহীনতা ও অজ্ঞতার পরিচয় ছাড়া কিছুই না। আর যেসব হাদীসে উটের মূল মূত্র সহ গরু, ছাগল এর মূল- মূত্র খাওয়ার কথা বলেছে ওগুলো সব দুর্বল হাদীস। এখন আপনারাই বলুন তো যে কাজ নবীজি করেন নায়, সাহাবারা করেন নায়, তাবে- তাবেইনরা করেন নায় তা কি ইসলামের অংশ হতে পারে, উত্তর হলো একদমই না। বরং ইসলামওি শরীয়াহ অনুসারে সকল অপবিত্র জিনিসই হারাম। এখন প্রশ্ন হতে পারে তাহলে তাদের কেন খেতে বলে ছিল। 

রেওয়াতে এসেছে যে তাদের মধ্যে আগে থেকেই উটের মূত্র খাওয়ার প্রচলন ছিল। তো এখন বুঝতে পারছেন যে উটের মূত্র পান করা ইসলামের কোনো রীতি না যেমনটা সনাতনিরা গো- মূত্র খাওয়াকে মনে করে ; আর এটা নবীর কাজ থেকেও অনুমোদন না। তাই যারা এসব কথা বলে তাদেরকে আজ থেকে বলে দিয়েন যে ইসলামের সাথে এসব বিষয়ের কোনো সম্পর্ক নেয়। আমি মোঃ মেহেদী হাসান এমন কোনো হাদীস বা পবিত্র আল কোরআনের আয়াত পায় নি যে, যেখানে বলা হয়েছে যে " হে মুসলিম বা হে আমার উম্মতরা তো উটের মূ্ত পান কর৷ যদি কেও দেখাতে পারেন তাহলে দেখিয়ে যাবেন। তো আশা করি বুঝতে পেরেছেন যে ইসলাম ককনো বলে নায় যে তোমরা উটের মূত্র পান কর। তবে হ্যা যদি কখনো এমন হয় যে চিকিৎসার জন্য বা কোনো কারণে হালাল বস্তু পাওয়া যাচ্চে না তখন জান বাচাতে হারাম বস্তুর ব্যবহার জায়েজ।  

এই কথাটা মনে রাখবেন। লেখাটা এই খানেই শেষ করছি। পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন 

    কলমে: মোঃ মেহেদী হাসান ✍️✍️✍️

আল্লাহ হাফেজ, আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ
লিখেছেন 01 ডিসেম্বর 2025 , লেখক: প্রিন্স ফ্রেরাসে

ইসলামে কি ুটের মূত্র খাওয়ার কথা বলা আছে?

ইসলামে কি উটের মূত্র খাওয়ার কথা বলে❓❔

আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ 

আমরা অনেক সময় সনাতনিদের কাছ থেকে শুনতে পায় যে আমরা মুসলিমরা নাকি উটের মূত্র পান করি। আমরা যখন সনাতনিদের বলি যে তোমরা গো মূত্র খাও ( হিন্দু ধর্মে গোমূত্র খাওয়া শাস্ত্রীয় বিধান ; রেফারেন্স : ভবিষ্যৎ পুরাণ উত্তর পর্ব-১৫/৩১। এছাড়াও দয়ানন্দ সরস্বতী বলছেন গরুর গোবর খেলে আয়ু বৃদ্ধি হয়, রোগ নাশ হয় স্বাস্থ্য লাভ হয় : সত্যার্থ প্রকাশ দশম সমুল্লাস ; পৃষ্ঠা -২৪৪) কেন তখন তারা আমাদের পাল্টা বলে যে তোমরা উট- মূত্র খাও কেন। আর নাস্তিকরাও অনেক সময় আমাদেরকে নিয়ে টিটকারি করে এই বিষয়টা নিয়ে। অনেকে তো আবার বলে এটা নাকি নবীজির সুন্নত ( আল্লাহ রব্বুল আলামীন মাফ করুক) । 

তাই এখন এই বিষয়টা ক্লিয়ার করব ইনশাআল্লাহ ।  

প্রথমত দেখি আসি হাদীস এতে কি বলা হয়েছে " আনাস (রা) হতে বর্ণিত যে, “উকল/উরায়না” গোত্রের কিছু মানুষের একটি দল রসূলুল্লাহ ﷺ এর নিকট আসলো। তারা রসূলুল্লাহ ﷺ এর কাছে ইসলামের উপর বাই’আত করল। অতঃপর মদীনার আবহাওয়া তাদের প্রতিকূল হওয়ায় তাদের কয়েকজন অসুস্থ হয়ে পরে, অন্য বর্ণনায় এসেছে তাদের পেটে ব্যথা শুরু হয়, পেট ফেঁপে উঠে ও তাদের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কাঁপতে থাকে। এ ব্যাপারে তারা রসূলুল্লাহ ﷺ এর নিকট অভিযোগ করল। নবি ﷺ বললেনঃ তোমরা কি আমাদের রাখালের সাথে গমন করে উটের মূত্র এবং দুগ্ধ পান করতে পারবে? তখন তারা বলল, জী- হ্যাঁ, অন্য বর্ণায় এসেছে তারা নিজেরাই অনুরোধ করেছিল। এরপর তারা বের হয়ে গেলে এবং এর (উটের) মূত্র ও দুগ্ধ পান করল। এতে তারা সুস্থ হয়ে গেল অতঃপর তারা রাখালকে হত্যা করে উটগুলো হাঁকিয়ে নিয়ে গেলে। এ সংবাদ রসূলুল্লাহ ﷺ এর নিকট পৌছল। তিনি তাদের পিছনে লোক পাঠালেন। তারা তাদেরকে পাকড়াও করে নিয়ে এল। তাদের প্রতি শাস্তির নির্দেশ জারি করা হল। 

এই হলো সেই হাদীসটা, লক্ষ্য করুন হাদীস এতে কিন্তু কোনো মুসলিমকে বলা হয় নি যে তোমরা উটের মূত্র বা মল খাও। যাদেরকে উটের মূত্র খেতে দেওয়া হয়েছে তাঁরা ছিল মুনাফিক। আর উটের মূত্র সরাসরি না দিয়ে দুধের সাথে তা মিক্স করে দিয়েছে। আমাদের বুঝতে হবে যে মহানবি ﷺ নিজের পুরো জীবন দশাতে কখনো উটের মূত্র পান করেন নি, নিজের কোন সাহাবিকে উটের মূত্র পান করতে বলেন নি, কোন সাহাবিও উটের মূত্র পান করেছেন বা পান করার উপদেশ দিয়েছে এমন সহিহ বর্ণনা পাওয়া যায় না। তাবেঈদের থেকেও এমন কোন সহিহ বর্ণনা পাওয়া যায় না। আমাদের নবি বা সাহাবি বা তাবেঈ বা তাবে তাবেঈনদের কেউ অযথা কোন কারণ ছাড়া উটের মূত্র পান করেছেন এমন কোন সহিহ বা হাসান হাদিস পাওয়া যায় না। এই থেকেই বুঝা যাচ্ছে যে যারা বলে ইসলামে উটের মূত্র পান করা সুন্নত তাদের এই মন্তব্যটা আসলে তাদের জ্ঞানহীনতা ও অজ্ঞতার পরিচয় ছাড়া কিছুই না। আর যেসব হাদীসে উটের মূল মূত্র সহ গরু, ছাগল এর মূল- মূত্র খাওয়ার কথা বলেছে ওগুলো সব দুর্বল হাদীস। এখন আপনারাই বলুন তো যে কাজ নবীজি করেন নায়, সাহাবারা করেন নায়, তাবে- তাবেইনরা করেন নায় তা কি ইসলামের অংশ হতে পারে, উত্তর হলো একদমই না। বরং ইসলামওি শরীয়াহ অনুসারে সকল অপবিত্র জিনিসই হারাম। এখন প্রশ্ন হতে পারে তাহলে তাদের কেন খেতে বলে ছিল। 

রেওয়াতে এসেছে যে তাদের মধ্যে আগে থেকেই উটের মূত্র খাওয়ার প্রচলন ছিল। তো এখন বুঝতে পারছেন যে উটের মূত্র পান করা ইসলামের কোনো রীতি না যেমনটা সনাতনিরা গো- মূত্র খাওয়াকে মনে করে ; আর এটা নবীর কাজ থেকেও অনুমোদন না। তাই যারা এসব কথা বলে তাদেরকে আজ থেকে বলে দিয়েন যে ইসলামের সাথে এসব বিষয়ের কোনো সম্পর্ক নেয়। আমি মোঃ মেহেদী হাসান এমন কোনো হাদীস বা পবিত্র আল কোরআনের আয়াত পায় নি যে, যেখানে বলা হয়েছে যে " হে মুসলিম বা হে আমার উম্মতরা তো উটের মূ্ত পান কর৷ যদি কেও দেখাতে পারেন তাহলে দেখিয়ে যাবেন। তো আশা করি বুঝতে পেরেছেন যে ইসলাম ককনো বলে নায় যে তোমরা উটের মূত্র পান কর। তবে হ্যা যদি কখনো এমন হয় যে চিকিৎসার জন্য বা কোনো কারণে হালাল বস্তু পাওয়া যাচ্চে না তখন জান বাচাতে হারাম বস্তুর ব্যবহার জায়েজ।  

এই কথাটা মনে রাখবেন। লেখাটা এই খানেই শেষ করছি। পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন 

    কলমে: মোঃ মেহেদী হাসান ✍️✍️✍️

আল্লাহ হাফেজ, আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
সেরা ১০ জন পরীক্ষক

  1. শামীমা আকতার

    3 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  2. MdAUKhan

    3 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  3. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    973 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    48 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    127 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-মামুন রেজা

    84 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. Fatematuj Johora

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    2 টি আইডিয়া ব্লগ

...