Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

eID: #1529 এর সম্পাদনার ইতিহাস

মূল লেখায় ফিরে যান

বর্তমান ভার্সনসম্পাদনা 08 ডিসেম্বর 2025 করেছেন রফিক আতা

একটি টেবিল ও তার আত্মকথা—রফিক আতা—


প্রভাতের মৃদু আলোয় ব্যালকনিতে বসে আমি টেবিলের উপর খাতা খুলে কিছু পুরোনো স্মৃতি লিখছিলাম। চারপাশ নিস্তব্ধ, কেবল হিমেল বাতাসের হালকা স্রোত আমার গায়ের উপর বয়ে যাচ্ছে। হঠাৎ কর্ণকুহরে ভেসে এলো এক অদ্ভুত শব্দ—



“রফিক… রফিক…”







চমকে উঠলাম আমি। চারদিকে কেউ নেই, অথচ ডাক স্পষ্ট। আবারও ভেসে এলো সেই শব্দ—



“রফিক…”







আমি অবাক হয়ে তাকালাম আমার টেবিলের দিকে। মনে হলো শব্দটি যেন ওখান থেকেই আসছে। বিস্ময়ে জিজ্ঞাস করলাম—



— “টেবিল! তুমি কি আমায় ডাকছ? তুমি কি সত্যিই কথা বলতে পার?”







মৃদু গলায় উত্তর এলো—



— “না বন্ধু, আমি তো কাঠের তৈরি, আমার মুখ নেই, কণ্ঠ নেই। কিন্তু তোমার অন্তরে আমার জন্য যে ভাবনা জন্মেছে, সেই ভাবনাই আজ ভাষা হয়ে তোমার কানে বাজছে। তুমি কি জানতে চাও আমি কে ছিলাম, কীভাবে এসেছি তোমার কাছে, কী আমার আসল আত্মকথা?”







আমি থমকে গেলাম। এ কী আশ্চর্য স্বপ্ন, নাকি জাগরণে অলৌকিক অভিজ্ঞতা? তবুও নিজেকে সামলে নিলাম। বললাম—



— “হ্যাঁ বন্ধু টেবিল, শুনতে চাই তোমার আত্মকথা। খুলে বলো তোমার নেপথ্যের গল্প।”







টেবিল যেন দীর্ঘশ্বাস ফেলল, তারপর ধীরে ধীরে বলতে শুরু করল—



— “আমার শুরুটা ছিল ক্ষুদ্র একটি দানা থেকে। এক উঁচু বৃক্ষের মগডালে আমার জন্ম। সেখানে সকালবেলায় এসে বসত নানা রঙের পাখি। তারা গান গাইত, গল্প করত, ঝগড়া করত—আমি সেইসব গল্প শুনে আনন্দে ভরে উঠতাম। প্রকৃতির কোলে আমি ছিলাম নিশ্চিন্ত।







কিন্তু জীবন তো কখনো এক জায়গায় স্থির থাকে না, রফিক। এক রাতে ঝড় এলো। প্রচণ্ড দমকা হাওয়ায় গাছের মগডাল ভেঙে পড়ল। আমি ছিটকে পড়লাম বালুকাময় এক নির্জন মাঠে। আমার সেই বাসা, সেই গান, সেই আশ্রয় সবই শেষ।







দিন কেটে গেল। রোদ্দুরে আমি শুকিয়ে যাচ্ছিলাম। তখনি একদিন আসমান থেকে নেমে এলো বৃষ্টির ফোঁটা। সেই বৃষ্টিই আবার আমাকে নতুন জীবন দিল। শুকনো বালু ভিজে উর্বর হলো। আমি অঙ্কুরিত হলাম, চারাগাছে রূপ নিলাম। সময় বয়ে যেতে লাগল, আমি ধীরে ধীরে পরিণত হতে লাগলাম এক বিশাল বৃক্ষে।







কখন যে বিশ বছর কেটে গেল টেরই পাইনি। তখন আমি পূর্ণ বৃক্ষ। আমার ডালে আবারও পাখিরা বাসা বাঁধত, গাইত মধুর সুরে। আমার ছায়ায় ক্লান্ত পথিকেরা বিশ্রাম নিত। দুপুরের রোদ্দুরে তারা আমার কাণ্ডে হেলান দিয়ে তন্দ্রায় যেত। অনেকেই দুঃখের কথা বলত, অনেকেই আনন্দের গান গাইত। আমি নীরব শ্রোতা হয়ে থাকতাম।







তবে রফিক, সুখের দিন বেশিদিন থাকে না। একদিন এক কাঠুরে এল ধারালো কুড়াল হাতে। সে আমার গায়ে কুড়াল চালাতে লাগল। আমি অনুনয় করলাম—‘আমাকে ছেড়ে দাও, আমি অনেক পথিকের ছায়া, আমি অনেক পাখির নিবাস।’ কিন্তু না, সে শুনল না। একের পর এক আঘাতে আমি লুটিয়ে পড়লাম।







এরপর আমাকে টেনে নিয়ে গেল ‘লস্করহাট’ নামের বাজারে। কাঠের দোকানে আমাকে বিক্রি করা হলো। সেখানে কাঠমিস্ত্রিরা আমার দেহকে চিরে বানাল তক্তা। সেই তক্তা দিয়ে তৈরি হলো অসংখ্য টেবিল, চেয়ার, খাট। আমি হারালাম আমার বৃক্ষ-পরিচয়, পেলাম নতুন পরিচয়—একটি টেবিল।







দোকানের ভেতরে আমরা সারি সারি সাজানো ছিলাম। প্রতিদিন মানুষ আসত, দেখত, কিনে নিয়ে যেত। আমার বুক কেঁপে উঠত—কে জানে আমাকে কোন হাতে, কোন ঘরে নিয়ে যাবে!







অবশেষে একদিন জামিয়া রশীদিয়া থেকে এলো এক তরুণ ছাত্র। তার চোখে জ্ঞানপিপাসার আলো। সে থেমে গেল আমার সামনে। আলতো করে আমাকে নাড়াচাড়া করে দেখল। আমি যেন বুঝতে পারছিলাম—এ আমার কাঙ্ক্ষিত বন্ধু। কিছুক্ষণ পর সে সিদ্ধান্ত নিল—আমাকেই কিনবে।







সেই দিন থেকে আজ অবধি আমি আছি তোমার সঙ্গেই, হে রফিক। তুমি আমার উপর খাতা রাখো, লিখো, কাঁদো, হাসো। আমি শুনি তোমার তেলাওয়াত, তোমার একাকিত্বের দীর্ঘশ্বাস। আমি নীরব থেকেও সব শুনি, সব লিপিবদ্ধ করি আমার কাঠের অন্তরে।







দীর্ঘ যাত্রায় কত রূপান্তর, কত দুঃখ-কষ্ট, কত উত্থান-পতন! তবুও আজ আমি আনন্দিত। কারণ আমি তোমাকে পেয়েছি। তুমি আমাকে শুধু টেবিল মনে করো না; তুমি আমাকে বন্ধু মনে করো। তোমার লেখনীতে আমি জীবন্ত হয়ে উঠি। তোমার পরশে আমি বিমোহিত হই।”







টেবিলের এই আত্মকথা শুনে আমার বুক ভরে উঠল আবেগে। মনে হলো, সত্যিই আমার এই টেবিল নিছক কাঠ নয়, এটি আমার নীরব সাক্ষী, আমার অন্তরঙ্গ বন্ধু।



alt="image" src="https://idea.enolej.com/?qa=blob&qa_blobid=719068581344355791">


style="text-align: justify;">


src="https://idea.enolej.com/?qa=blob&qa_blobid=719068581344355791" alt="image">


style="text-align: justify;">


লিখেছেন 22 নভেম্বর 2025 , লেখক: রফিক আতা

একটি টেবিল ও তার আত্মকথা —রফিক আতা—



প্রভাতের মৃদু আলোয় ব্যালকনিতে বসে আমি টেবিলের উপর খাতা খুলে কিছু পুরোনো স্মৃতি লিখছিলাম। চারপাশ নিস্তব্ধ, কেবল হিমেল বাতাসের হালকা স্রোত আমার গায়ের উপর বয়ে যাচ্ছে। হঠাৎ কর্ণকুহরে ভেসে এলো এক অদ্ভুত শব্দ—



“রফিক… রফিক…”







চমকে উঠলাম আমি। চারদিকে কেউ নেই, অথচ ডাক স্পষ্ট। আবারও ভেসে এলো সেই শব্দ—



“রফিক…”







আমি অবাক হয়ে তাকালাম আমার টেবিলের দিকে। মনে হলো শব্দটি যেন ওখান থেকেই আসছে। বিস্ময়ে জিজ্ঞাস করলাম—



— “টেবিল! তুমি কি আমায় ডাকছ? তুমি কি সত্যিই কথা বলতে পার?”







মৃদু গলায় উত্তর এলো—



— “না বন্ধু, আমি তো কাঠের তৈরি, আমার মুখ নেই, কণ্ঠ নেই। কিন্তু তোমার অন্তরে আমার জন্য যে ভাবনা জন্মেছে, সেই ভাবনাই আজ ভাষা হয়ে তোমার কানে বাজছে। তুমি কি জানতে চাও আমি কে ছিলাম, কীভাবে এসেছি তোমার কাছে, কী আমার আসল আত্মকথা?”







আমি থমকে গেলাম। এ কী আশ্চর্য স্বপ্ন, নাকি জাগরণে অলৌকিক অভিজ্ঞতা? তবুও নিজেকে সামলে নিলাম। বললাম—



— “হ্যাঁ বন্ধু টেবিল, শুনতে চাই তোমার আত্মকথা। খুলে বলো তোমার নেপথ্যের গল্প।”







টেবিল যেন দীর্ঘশ্বাস ফেলল, তারপর ধীরে ধীরে বলতে শুরু করল—



— “আমার শুরুটা ছিল ক্ষুদ্র একটি দানা থেকে। এক উঁচু বৃক্ষের মগডালে আমার জন্ম। সেখানে সকালবেলায় এসে বসত নানা রঙের পাখি। তারা গান গাইত, গল্প করত, ঝগড়া করত—আমি সেইসব গল্প শুনে আনন্দে ভরে উঠতাম। প্রকৃতির কোলে আমি ছিলাম নিশ্চিন্ত।







কিন্তু জীবন তো কখনো এক জায়গায় স্থির থাকে না, রফিক। এক রাতে ঝড় এলো। প্রচণ্ড দমকা হাওয়ায় গাছের মগডাল ভেঙে পড়ল। আমি ছিটকে পড়লাম বালুকাময় এক নির্জন মাঠে। আমার সেই বাসা, সেই গান, সেই আশ্রয় সবই শেষ।







দিন কেটে গেল। রোদ্দুরে আমি শুকিয়ে যাচ্ছিলাম। তখনি একদিন আসমান থেকে নেমে এলো বৃষ্টির ফোঁটা। সেই বৃষ্টিই আবার আমাকে নতুন জীবন দিল। শুকনো বালু ভিজে উর্বর হলো। আমি অঙ্কুরিত হলাম, চারাগাছে রূপ নিলাম। সময় বয়ে যেতে লাগল, আমি ধীরে ধীরে পরিণত হতে লাগলাম এক বিশাল বৃক্ষে।







কখন যে বিশ বছর কেটে গেল টেরই পাইনি। তখন আমি পূর্ণ বৃক্ষ। আমার ডালে আবারও পাখিরা বাসা বাঁধত, গাইত মধুর সুরে। আমার ছায়ায় ক্লান্ত পথিকেরা বিশ্রাম নিত। দুপুরের রোদ্দুরে তারা আমার কাণ্ডে হেলান দিয়ে তন্দ্রায় যেত। অনেকেই দুঃখের কথা বলত, অনেকেই আনন্দের গান গাইত। আমি নীরব শ্রোতা হয়ে থাকতাম।







তবে রফিক, সুখের দিন বেশিদিন থাকে না। একদিন এক কাঠুরে এল ধারালো কুড়াল হাতে। সে আমার গায়ে কুড়াল চালাতে লাগল। আমি অনুনয় করলাম—‘আমাকে ছেড়ে দাও, আমি অনেক পথিকের ছায়া, আমি অনেক পাখির নিবাস।’ কিন্তু না, সে শুনল না। একের পর এক আঘাতে আমি লুটিয়ে পড়লাম।







এরপর আমাকে টেনে নিয়ে গেল ‘লস্করহাট’ নামের বাজারে। কাঠের দোকানে আমাকে বিক্রি করা হলো। সেখানে কাঠমিস্ত্রিরা আমার দেহকে চিরে বানাল তক্তা। সেই তক্তা দিয়ে তৈরি হলো অসংখ্য টেবিল, চেয়ার, খাট। আমি হারালাম আমার বৃক্ষ-পরিচয়, পেলাম নতুন পরিচয়—একটি টেবিল।







দোকানের ভেতরে আমরা সারি সারি সাজানো ছিলাম। প্রতিদিন মানুষ আসত, দেখত, কিনে নিয়ে যেত। আমার বুক কেঁপে উঠত—কে জানে আমাকে কোন হাতে, কোন ঘরে নিয়ে যাবে!







অবশেষে একদিন জামিয়া রশীদিয়া থেকে এলো এক তরুণ ছাত্র। তার চোখে জ্ঞানপিপাসার আলো। সে থেমে গেল আমার সামনে। আলতো করে আমাকে নাড়াচাড়া করে দেখল। আমি যেন বুঝতে পারছিলাম—এ আমার কাঙ্ক্ষিত বন্ধু। কিছুক্ষণ পর সে সিদ্ধান্ত নিল—আমাকেই কিনবে।







সেই দিন থেকে আজ অবধি আমি আছি তোমার সঙ্গেই, হে রফিক। তুমি আমার উপর খাতা রাখো, লিখো, কাঁদো, হাসো। আমি শুনি তোমার তেলাওয়াত, তোমার একাকিত্বের দীর্ঘশ্বাস। আমি নীরব থেকেও সব শুনি, সব লিপিবদ্ধ করি আমার কাঠের অন্তরে।







দীর্ঘ যাত্রায় কত রূপান্তর, কত দুঃখ-কষ্ট, কত উত্থান-পতন! তবুও আজ আমি আনন্দিত। কারণ আমি তোমাকে পেয়েছি। তুমি আমাকে শুধু টেবিল মনে করো না; তুমি আমাকে বন্ধু মনে করো। তোমার লেখনীতে আমি জীবন্ত হয়ে উঠি। তোমার পরশে আমি বিমোহিত হই।”







টেবিলের এই আত্মকথা শুনে আমার বুক ভরে উঠল আবেগে। মনে হলো, সত্যিই আমার এই টেবিল নিছক কাঠ নয়, এটি আমার নীরব সাক্ষী, আমার অন্তরঙ্গ বন্ধু।



image






📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
সেরা ১০ জন পরীক্ষক

  1. MdAUKhan

    12 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  2. তামান্না আক্তার

    6 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  3. রফিক আতা

    5 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  4. মুহাম্মদ সালমান

    5 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  5. শামীমা আকতার

    4 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  6. আল-মামুন রেজা

    2 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  7. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    2 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  8. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    1 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  9. রাতিন আহমেদ

    1 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  10. জামিনুল রেজা

    1 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1687 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    83 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. Monsoon Harmony

    333 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    16 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. রফিক আতা

    191 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    9 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. মাহাতাব হোসেন অপল

    170 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    8 টি আইডিয়া ব্লগ

...