Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

মোঃ আতিউর রহমান এর সময়ক্রম

প্রিয় অথিতি, এই সময়ক্রমে পোস্ট করতে চাইলে দয়া করে প্রবেশ করুন কিংবা নিবন্ধন করুন
আসসালামু আলাইকুম।
আপনার লেখাগুলো এখানে ওয়াল পোষ্ট হিসেবে কেবল নোট করে রাখছেন।কিন্তু সেটি প্রকাশ করা হচ্ছেনা। লেখাগুলো প্রকাশ করার জন্য https://idea.enolej.com/write এ ক্লিক করে একটা একটা করে ফেসবুক পোষ্ট এর মতো লেখাগুলো প্রকাশ করতে হবে।নতুবা আপনার লেখা প্রকাশিত হবেনা।
এ নিয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা এখানে দেখুন-
https://idea.enolej.com/983 এ।
বুঝতে সমস্যা হলে আমাকে জানাতে পারেন।
শুভ কামনা রইলো।
করেছেন MdAUKhan   05 ডিসেম্বর 2025
একবার রাসুল ﷺ সাহাবীদের নিয়ে মসজিদে বসে আছেন, এমন সময় এক বেদুঈন এসে মসজিদের দেওয়ালে প্রসাব করা শুরু করল।
.
সাহাবীরা তো সেই ক্ষ্যাপা। তরবারি, লাঠি স্যাঠা নিয়ে আজ ওর একটা কিছু হাল করে দিবে প্রস্তুতি নিচ্ছে। জানেন আমাদের প্রিয় রাসুল ﷺ এর প্রত্যুত্তর কী ছিল এই ক্ষেত্রে?
.
এন্টি-ইসলামিস্টরা রটায়, যে তিনি নাকি যুদ্ধ অশান্তি পছন্দ করতেন, তো তিনি কি বললেন তার সাহবীদের কে?
.
নিশ্চয়ই এমন চিন্তা আসছে 'যাও ওর গর্দান টা নিয়ে আসো' — এইটাইপ কিছু? নাহ রাসুল ﷺ সাহাবীদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন, "তোমাদের জন্য বরং সহজ এইখানে (যেখানে প্রসাব করেছে) এক বালতি পানি ঢেলে দেওয়া। মসজিদ সমূহে কষ্টকর ও অপবিত্র কিছু করা উচিত না। এইটা সালাত ও কোরআন তিলাওয়াতের স্থান।" [সহীহ বুখারী, ৬০২৫]
.
ইনিই আমাদের প্রিয় নবী ﷺ যিনি হাঁচির সময়ও মুখে হাত দিয়ে ঢাকতে বলেছেন যাতে করে নির্গত জীবাণু দ্বারা অন্যদের ক্ষতি না হয়। হ্যা আমাদের নবী সামান্য হাচির দ্বারাও যাতে অন্যরা ক্ষতিগ্রস্থ না সেই ব্যাপারে সতর্ক ছিলেন।
.
তিনি কেবল মুসলিম দের অধিকার নিয়েই স্বার্থপরের মত ব্যস্ত থাকতেন না, বরং অমুসলিম দের অধিকার সম্পর্কে একটু বেশিই সচেতন ছিলেন, কিছু হাদীস দেখে নিই, ‘সাবধান! যদি কোনো মুসলিম কোনো অমুসলিম নাগরিকের ওপর নিপীড়ন চালিয়ে তার অধিকার খর্ব করে, তার ক্ষমতার বাইরে কষ্ট দেয় এবং তার কোনো বস্তু জোরপূর্বক নিয়ে যায়, তাহলে কিয়ামতের দিন আমি তার পক্ষে আল্লাহর দরবারে অভিযোগ উত্থাপন করব।’ [আবূ দাঊদ, ৩০৫২]
.
ভেবে দেখেছেন কত বড় কথাটা! তিনি তার প্রিয় উম্মতের বিরুদ্ধে অভিযোগ করবেন অমুসলিম কে কষ্ট দেবার জন্য? ভাবতে পারেন মানুষটার মহত্ব সম্পর্কে?
.
তিনি আরো বলেন, ‘যে মুসলিম কর্তৃক নিরাপত্তা প্রাপ্ত কোনো অমুসলিমকে হত্যা করবে, সে জান্নাতের ঘ্রাণও পাবে না। অথচ — তার ঘ্রাণ পাওয়া যায় চল্লিশ বছরের পথের দূরত্ব থেকে’। [সহিহ বুখারী, ৩১৬৬]
.
রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজের কোনো বাহিনী প্রেরণ করলে বলতেন, ‘তোমরা গির্জার অধিবাসীদের হত্যা করবে না।’ [ইবন আবী শাইবা, মুসান্নাফ : ৩৩৮০৪; কিতাবুল জিহাদ, যুদ্ধক্ষেত্রে যাদের হত্যা করা নিষেধ অধ্যায়]

.....................

আর বিদ্রুপকারী রা বলে থাকে এ কেমন নবী যে কিনা ইস্তিঞ্জা (টয়লেট-বাথরুম এর নিয়ম কানুন) সম্পর্কেও শিক্ষা দেয়?
.
হ্যা এটাই তো আমাদের গর্ব, জাতি হিসেবে আমাদের ইউনিকনেস, আমাদের নবী ﷺ জীবনের ছোট খাটো সব বিষয়ে শিক্ষা দিয়ে গেছেন আল্লাহ তায়ালার হুকুমে।
.
তিনি কখনও ব্যক্তিগত কারনে কারোর উপর প্রতিশোধ নিয়েছেন এমন কোন সিঙ্গেল নজিরও নাই। তবে যেইসব ক্ষেত্রে আল্লাহ এর হক জড়িত সেইক্ষেত্রে তিনি কঠোর ছিলেন।
.
তার আগে পরের সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া স্বত্তেও তিনি আমাদের কথা চিন্তা করে ১৪০০ বছর আগে কেদেছেন, দুয়া করে গেছেন। হ্যা এটাই মুহাম্মদ ﷺ।
.
আজ থেকে প্রায় ২০০০ হাজার বছর আগের ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দে মক্কা নগরীর আমিনা মায়ের কোল আলো করে এক শিশু জন্মগ্রহন করেন যিনি পরবর্তী ৬৩ বছরে পৃথিবীতে ইতিহাসে ভালোবাসা ক্ষমা দয়া মহত্বের সংজ্ঞা নিজ হাতে লিখে গিয়েছিলেন নাম তার হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা ﷺ।
.
এই যুগে অমুসলিমদের মধ্যে মহাত্মা গান্ধী যার সম্পর্কে বলেছিলেন সবচেয়ে উপযুক্ত কথাটা, "আমি যখন মোহাম্মাদের জীবনীর শেষখন্ডের শেষ পাতাটা পড়ে শেষ করলাম, আমার আফসোস হল আমি এই মহামানবের সম্পর্কে কেন আরো কিছু জানলাম না।"
.
এই মহান মানুষটা প্রমাণকরে গিয়েছিলেন ভালোবাসা শুধুমাত্র ভালোবাসা দিয়েই পৃথিবীকে জয় করা সম্ভবই হল আমাদের প্রাণের নবী মোহাম্মদ মোস্তফা ﷺ। আমি গর্বিত আমি মুহম্মদে ﷺ এর উম্মত।
▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂
.
লেখাঃ শাহ মোহাম্মদ তন্ময় (আল্লাহ্‌ তাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন!)
.
.
করেছেন মোঃ আতিউর রহমান   22 নভেম্বর 2025
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
...