Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

eID: #5124 এর সম্পাদনার ইতিহাস

মূল লেখায় ফিরে যান

বর্তমান ভার্সনসম্পাদনা 1 ঘন্টা পূর্বে করেছেন Mayabi Ilmaz Megh

#বউ_আমার_ঝগড়ার_রানী বউ আমার ঝগড়ার রানী ❤️ #পর্ব: পর্ব: ৯


#বউ_আমার_ঝগড়ার_রানী ❤️







#পর্ব: ৯ 







#লেখক: মিস্টার পেন্সিল







সকালে ঘুম থেকে উঠেই জারা নওশীন সিদ্ধান্ত নিল—আজ রুদ্র রহমানের সঙ্গে সব ভুল বোঝাবুঝি মিটিয়ে ফেলবে।







আর কোনো অকারণ অভিমান নয়। নীলার জন্মদিনের পরিকল্পনার কথাও খুলে বলবে। তারপর রুদ্র রাগ করলে, সেটাও সামলাবে সে।







কিন্তু ফোন করার কথা ভাবলেই জারার মনে হচ্ছিল, রুদ্র ফোন ধরে যদি বলে, ‘কী দরকার?’







এই একটা কথা শুনলেই তার সারাদিনের মেজাজ নষ্ট হয়ে যাবে!







বিছানায় বসে ফোন হাতে নিয়ে সে মিমিকে জিজ্ঞেস করল, “কাউকে অভিমান ভাঙানোর জন্য আগে ফোন করা কি আত্মসম্মানের বিরুদ্ধে?”







মিমি হাসল। “না। তবে কাউকে নিজের মানুষ ভাবলে তার সঙ্গে কথা বলতে ভয় পাওয়াটা একটু অদ্ভুত।”







জারা ভ্রু কুঁচকে বলল, “কে আমার নিজের মানুষ?”







“নামটা কি মুখে বলে দিতে হবে? রুদ্র রহমান!”







জারা বালিশ ছুড়ে মারতেই মিমি সরে গিয়ে হেসে বলল, “আগে মেসেজ কর। তারপর আমাকে মারিস!”







জারা রুদ্রকে লিখল—







‘আজ বিকেলে দেখা করতে পারবে? জরুরি কথা আছে।’







কিছুক্ষণ পর উত্তর এল—







‘পারব। কোথায় আসব?’







জারা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলল। অন্তত ছেলেটা কথা বলতে রাজি হয়েছে!







সে লিখল, ‘ক্যাম্পাসের পেছনের বাগানে। বিকেল চারটায়।’







রুদ্রের উত্তর এল, ‘ঠিক আছে।’







জারা ফোনের দিকে তাকিয়ে বিড়বিড় করল, “একটা হাসির ইমোজি দিতে কী এমন ক্ষতি হতো?”







পাশ থেকে মিমি বলল, “ও তোর প্রেমিক নয় যে প্রতিটা মেসেজে হাসির ইমোজি দেবে!”







“মিমি!”







মিমি হাসতে হাসতে ঘর থেকে পালাল।







দুপুরে জারা নীলার সঙ্গে দেখা করতে গেল। বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছের ছোট্ট রেস্তোরাঁয় নীলা কয়েকজন পুরোনো বন্ধুর সঙ্গে রুদ্রের জন্মদিনের আয়োজন নিয়ে আলোচনা করছিল। টেবিলে কেকের নকশা, রঙিন ফিতা আর উপহারের বাক্স ছড়িয়ে আছে।







জারাকে দেখে নীলা বলল, “তুমি এসেছ! ভাবছিলাম, হয়তো ব্যস্ত থাকবে।”







জারা বসে বলল, “রুদ্রের সঙ্গে একটু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। আজ সব ঠিক করে নেব।”







নীলা অপরাধী মুখে বলল, “আমার জন্যই হয়েছে, তাই না?”







“পুরোপুরি তোমার জন্য নয়। আমিও সময়মতো সত্যিটা বলিনি।”







নীলা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। “রুদ্র বাইরে থেকে খুব হাসিখুশি। কিন্তু কষ্ট পেলে চুপ হয়ে যায়। তখন ওকে বোঝানো কঠিন।”







জারা মৃদুস্বরে বলল, “সেটা বুঝতে পারছি।”







নীলা হেসে বলল, “তুমি ওকে বেশ ভালো বুঝতে শুরু করেছ।”







জারা তাড়াতাড়ি উত্তর দিল, “একই নাটকে অভিনয় করি। বুঝতে হয়!”







নীলা শুধু হাসল।







পরিকল্পনা হলো, রুদ্রের জন্মদিনের আগের সন্ধ্যায় সবাই মিলে ছোট্ট আয়োজন করবে। রুদ্রকে সেখানে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব জারার। নীলা তাকে অনুরোধ করল, যেন আগে থেকে কিছু না বলে।







জারা রাজি হলো। তবে মনে মনে ঠিক করল, চমক দেওয়ার জন্যও রুদ্রের বিশ্বাস নষ্ট হতে দেবে না







বিকেল চারটায় জারা ক্যাম্পাসের পেছনের বাগানে পৌঁছাল। রুদ্রও ঠিক সময়ে এল।







জারা অবাক হয়ে বলল, “তুমি সময়মতো এসেছ!”







রুদ্র মুচকি হাসল। “তোমার সঙ্গে দেখা করার কথা ছিল। দেরি করলে আবার অভিযোগ করতে।”







জারা হেসে ফেলল। কথাটা শুনে মনে হলো, পুরোনো দুষ্টু রুদ্রটা আবার ফিরে এসেছে।







রুদ্র বেঞ্চে বসে বলল, “এবার বলো, কী জরুরি কথা?”







জারা পাশে বসে সব খুলে বলল—নীলা তার জন্মদিনে চমক দেওয়ার পরিকল্পনা করছে, আর জারাকে বলা হয়েছে রুদ্রকে অন্য জায়গায় নিয়ে যেতে। সে চমক নষ্ট করতে চায়নি বলেই কিছু বলেনি।







শেষে জারা মাথা নিচু করে বলল, “তোমার খারাপ লেগেছে, সেটা বুঝতে পারছি। আমার আগে বলা উচিত ছিল। সরি।”







রুদ্র কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলল, “তুমি সত্যিটা বলেছ, এটাই ভালো লাগছে।”







জারা স্বস্তি পেল। “তাহলে রাগ করোনি?”







“করেছিলাম।”







“এখনো?”







“একটু।”







জারা মুখ বাঁকাল। “তুমি কি ছোট বাচ্চা? একটা জন্মদিনের চমক নিয়ে এত অভিমান!”







রুদ্র হেসে উঠল। “দেখো, আবার শুরু করলে!”







দুজনেই হাসল। তারপর রুদ্রের মুখটা একটু গম্ভীর হলো।







“জারা, একটা কথা জানতে চাই। তুমি কি আমাকে শুধু বন্ধু ভাবো?”







জারার হাসি মিলিয়ে গেল। প্রশ্নটা সে ভয় পাচ্ছিল।







কিছুক্ষণ পর বলল, “আমি এখনো জানি না।”







রুদ্র মাথা নেড়ে বলল, “ঠিক আছে। তোমাকে কোনো অনুভূতি জোর করে স্বীকার করাতে চাই না।”







কথাটা শুনে জারার বুকটা ভারী হয়ে উঠল। রুদ্র উঠে দাঁড়াতেই সে অজান্তে তার হাত ধরে ফেলল।







দুজনেই থমকে গেল।







রুদ্র নরম স্বরে জিজ্ঞেস করল, “কিছু বলবে?”







জারা তাড়াতাড়ি হাত সরিয়ে নিল। “না… তুমি চলে যাচ্ছিলে।”







রুদ্র আবার বসে পড়ল। “ঠিক আছে। যাচ্ছি না।”







জারা মুখ নিচু করে হাসল। সে নিজেও বুঝতে পারছিল না, কেন রুদ্রকে চলে যেতে দেখে তার এত খারাপ লাগছিল।







পরদিন সন্ধ্যায় জারা রুদ্রকে নিয়ে রেস্তোরাঁয় পৌঁছাল। রুদ্র গাড়ি থেকে নেমে চারদিকে তাকিয়ে বলল, “এখানে কেন এনেছ?”







জারা কাঁধ ঝাঁকাল। “খিদে পেয়েছে। খেতে এসেছি।”







রুদ্র সন্দেহের চোখে তাকাল। “তুমি আমাকে খাওয়াতে এনেছ? সূর্য কি পশ্চিম দিকে উঠেছে?”







“তোমাকে নিয়ে আসাটাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল!”







রুদ্র হাসতে হাসতে দরজা খুলল।







ভেতরে ঢুকতেই আলো জ্বলে উঠল।







“সারপ্রাইজ!”







নীলা, তন্ময় আর রুদ্রের কয়েকজন পুরোনো বন্ধু একসঙ্গে চিৎকার করে উঠল। সামনে কেক, বেলুন আর দেয়ালে লেখা—‘হ্যাপি বার্থডে, রুদ্র!’







রুদ্র এক মুহূর্ত বাকরুদ্ধ হয়ে গেল। তারপর নীলার দিকে তাকাল।







“তোমরা সবাই মিলে এসব করেছ?”







নীলা হাসল। “হ্যাঁ। আর জারা না থাকলে তোমাকে এখানে আনাই কঠিন হতো।”







রুদ্র জারার দিকে তাকাল।







জারা ভান করে বলল, “আমাকে ধন্যবাদ দেওয়ার দরকার নেই। আমি শুধু খেতে এসেছি।”







রুদ্র মুচকি হেসে বলল, “তোমার জন্য আলাদা একটা মিষ্টি রাখা উচিত।”







“কেন?”







“কারণ মুখে বলো কিছু যায় আসে না, অথচ আমার জন্মদিনের আয়োজন করতে সাহায্য করেছ।”







জারা মুখ ঘুরিয়ে বলল, “নীলা অনুরোধ করেছে, তাই করেছি।”







রুদ্র হাসল। “অবশ্যই। নীলার অনুরোধেই তুমি এত সুন্দর করে তৈরি হয়ে এসেছ!”







জারা নিজের পোশাকের দিকে তাকিয়ে বলল, “আমি এমনিতেই সুন্দর!”







“সেটা তো অস্বীকার করিনি।”







রুদ্র কথাটা এমন স্বাভাবিকভাবে বলল যে জারা কিছুক্ষণের জন্য জবাবই খুঁজে পেল না। তার গাল লাল হয়ে উঠল।







তন্ময় দূর থেকে দৃশ্যটা দেখে ফিসফিস করে বলল, “এদের বিয়ে হলে আমাদের জন্য আলাদা করে ঝগড়া দেখার টিকিট বিক্রি করতে হবে।”







নীলা হেসে বলল, “টিকিট লাগবে না। পুরো বাড়িটাই মঞ্চ হয়ে যাবে!”







কেক কাটার সময় সবাই রুদ্রকে ঘিরে দাঁড়াল। মোমবাতি নিভিয়ে কেক কাটতেই তন্ময় চিৎকার করল, “এবার একটা ইচ্ছা বল!”







রুদ্র বলল, “ইচ্ছা মুখে বললে পূরণ হয় না।”







জারা পাশ থেকে বলল, “তোমার ইচ্ছা নিশ্চয়ই নিজের কথা কম বলার ক্ষমতা পাওয়া!”







সবাই হেসে উঠল।







রুদ্র কেকের একটা টুকরো জারার দিকে বাড়িয়ে দিল। “এই নাও। আজকের আয়োজনের পেছনে তোমারও অবদান আছে।”







জারা কেকটা খেয়ে নিজের হাতে আরেক টুকরো তুলে রুদ্রকে খাইয়ে দিল।







চারপাশ থেকে একসঙ্গে আওয়াজ উঠল, “ওহহহ!”







জারা চমকে হাত সরিয়ে বলল, “কী হয়েছে? কেক খাওয়ালাম!”







তন্ময় হেসে বলল, “আমরা তো কিছু বলিনি। তোমরা নিজেরাই সব বুঝিয়ে দিচ্ছ!”







জারা অন্যদের সঙ্গে গল্পে মেতে উঠলেও রুদ্রের হাসিমাখা চোখ দুটো বারবার তার মনে পড়ছিল।







কিছুক্ষণ পর নীলা তাকে এক পাশে ডেকে নিল।







“জারা, একটা কথা বলব? স্কুলে পড়ার সময় আমি রুদ্রকে পছন্দ করতাম।”







জারা থমকে গেল।







নীলা দ্রুত বলল, “কিন্তু কখনো বলিনি। পরে বুঝেছি, ওকে বন্ধু হিসেবেই আমার বেশি ভালো লাগে। এখন আমার জীবনে অন্য একজন আছে। তোমাকে বললাম, কারণ তোমার চোখে রুদ্রকে নিয়ে অনেক প্রশ্ন দেখি। চাই না, আমার কারণে তোমাদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি হোক।”







জারা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলল। “আমাকে বলার জন্য ধন্যবাদ।”







নীলা হেসে বলল, “এবার নিজের মনকেও একটু প্রশ্ন করো।”







জারা উত্তর দিল না। কারণ নীলার কথাটা অস্বীকার করার মতো সাহস তার ছিল না।







অনুষ্ঠান শেষে রুদ্র জারাকে রেস্তোরাঁর সামনের ছোট্ট বাগানে ডাকল। রাতের বাতাসে গাছের পাতা নড়ছিল।







রুদ্র বলল, “আজকের জন্য ধন্যবাদ।”







জারা হেসে বলল, “কতবার ধন্যবাদ দেবে? আমি কি তোমার জন্মদিনের উপহার?”







“তুমি উপহার হলে সবচেয়ে ঝগড়াটে উপহার হতে।”







“আর তুমি এমন একজন, যে উপহার পেয়েও অভিযোগ করবে!”







দুজনেই হাসল। তারপর রুদ্রের কণ্ঠ নরম হয়ে এল।







“জারা, আজ একটা কথা সত্যি করে বলবে? আমার সঙ্গে সময় কাটাতে তোমার ভালো লাগে?”







জারা চুপ করে তার দিকে তাকিয়ে রইল। এবার সে পালিয়ে যেতে চাইল না।







ধীরে বলল, “হ্যাঁ, ভালো লাগে।”







রুদ্রের চোখে আনন্দ ফুটে উঠল।







জারা তাড়াতাড়ি যোগ করল, “কিন্তু এর মানে এই নয় যে আমি তোমাকে বিয়ে করতে রাজি হয়ে গেছি!”







রুদ্র হেসে বলল, “আমি এতটা বোকা নই।”







জারা ভ্রু তুলল। “সেটা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে।”







“তাহলে আপাতত এটুকুই থাক। তুমি আমার সঙ্গে সময় কাটাতে ভালোবাসো, আর আমি তোমার সঙ্গে। বাকিটা সময়ের ওপর ছেড়ে দিই।”







জারা মৃদু হেসে মাথা নাড়ল।







রুদ্র আবার বলল, “আগামীকাল আমার সঙ্গে দুপুরে খেতে যাবে?”







“তুমি কি প্রতিদিন আমাকে খাওয়ানোর পরিকল্পনা করেছ?”







“না। প্রতিদিন তুমি রাজি হবে কি না, সেটাই পরীক্ষা করছি।”







জারা হেসে বলল, “দেখা যাবে!”







“তোমার এই ‘দেখা যাবে’ কথাটার ওপর আমার ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে।”







“তাহলে ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করো। আমি বাড়ি যাচ্ছি!”







কয়েক পা এগিয়ে জারা আবার ফিরে তাকাল। রুদ্র তখনো দাঁড়িয়ে ছিল।







জারা হাত নেড়ে বলল, “শুভ জন্মদিন, রুদ্র!”







রুদ্র হেসে উত্তর দিল, “ধন্যবাদ, ঝগড়ার রানী!”







গাড়িতে উঠে জারা ফোনে একটা মেসেজ পেল।







‘আজ অনেক উপহার পেয়েছি। কিন্তু তোমার মুখে শুভ জন্মদিন শোনাটাই সবচেয়ে ভালো লেগেছে।’







জারা হাসতে হাসতে লিখল—







‘বেশি আবেগ দেখিও না। কাল দেখা হলে আবার ঝগড়া হবে।’







রুদ্রের উত্তর এল—







‘অপেক্ষায় রইলাম।’







জারা ফোনটা বুকে চেপে ধরল। সে এখনো ভালোবাসার কথা বলেনি, বিয়ের কথাও ভাবতে প্রস্তুত নয়। তবু রুদ্রের সঙ্গে আগামীকাল দেখা করার অপেক্ষাটা তার কাছে অদ্ভুত সুন্দর লাগছিল।







হয়তো ভালোবাসা সব সময় বড় কোনো স্বীকারোক্তি দিয়ে শুরু হয় না। কখনো কখনো শুরু হয় কারও অভিমান ভাঙাতে চাওয়া দিয়ে, অজান্তে তার হাত ধরে ফেলা দিয়ে, কিংবা একটা সাধারণ মেসেজের উত্তরের অপেক্ষায় হাসতে থাকা দিয়ে।







কিন্তু জারা এখনো জানে না, নিজের অনুভূতি মেনে নেওয়ার পরের ধাপটা তার জন্য আরও কঠিন হতে পারে।







কারণ রুদ্রের প্রতি তার বদলে যাওয়া অনুভূতির কথা সে নিজের পরিবারকেও জানায়নি।







আর সামনে এমন এক সময় আসছে, যখন শুধু ঝগড়া করে নয়—নিজের মনের কথাও স্পষ্ট করে বলতে হবে তাকে।







চলবে… ❤️alt="image" src="https://idea.enolej.com/?qa=blob&qa_blobid=3624284126124715813">

src="https://idea.enolej.com/?qa=blob&qa_blobid=3624284126124715813" alt="image">

লিখেছেন 2 ঘন্টা পূর্বে , লেখক: মিস্টার পেন্সিল

#বউ_আমার_ঝগড়ার_রানী ❤️ #পর্ব: ৯



#বউ_আমার_ঝগড়ার_রানী ❤️







#পর্ব: ৯ 







#লেখক: মিস্টার পেন্সিল







সকালে ঘুম থেকে উঠেই জারা নওশীন সিদ্ধান্ত নিল—আজ রুদ্র রহমানের সঙ্গে সব ভুল বোঝাবুঝি মিটিয়ে ফেলবে।







আর কোনো অকারণ অভিমান নয়। নীলার জন্মদিনের পরিকল্পনার কথাও খুলে বলবে। তারপর রুদ্র রাগ করলে, সেটাও সামলাবে সে।







কিন্তু ফোন করার কথা ভাবলেই জারার মনে হচ্ছিল, রুদ্র ফোন ধরে যদি বলে, ‘কী দরকার?’







এই একটা কথা শুনলেই তার সারাদিনের মেজাজ নষ্ট হয়ে যাবে!







বিছানায় বসে ফোন হাতে নিয়ে সে মিমিকে জিজ্ঞেস করল, “কাউকে অভিমান ভাঙানোর জন্য আগে ফোন করা কি আত্মসম্মানের বিরুদ্ধে?”







মিমি হাসল। “না। তবে কাউকে নিজের মানুষ ভাবলে তার সঙ্গে কথা বলতে ভয় পাওয়াটা একটু অদ্ভুত।”







জারা ভ্রু কুঁচকে বলল, “কে আমার নিজের মানুষ?”







“নামটা কি মুখে বলে দিতে হবে? রুদ্র রহমান!”







জারা বালিশ ছুড়ে মারতেই মিমি সরে গিয়ে হেসে বলল, “আগে মেসেজ কর। তারপর আমাকে মারিস!”







জারা রুদ্রকে লিখল—







‘আজ বিকেলে দেখা করতে পারবে? জরুরি কথা আছে।’







কিছুক্ষণ পর উত্তর এল—







‘পারব। কোথায় আসব?’







জারা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলল। অন্তত ছেলেটা কথা বলতে রাজি হয়েছে!







সে লিখল, ‘ক্যাম্পাসের পেছনের বাগানে। বিকেল চারটায়।’







রুদ্রের উত্তর এল, ‘ঠিক আছে।’







জারা ফোনের দিকে তাকিয়ে বিড়বিড় করল, “একটা হাসির ইমোজি দিতে কী এমন ক্ষতি হতো?”







পাশ থেকে মিমি বলল, “ও তোর প্রেমিক নয় যে প্রতিটা মেসেজে হাসির ইমোজি দেবে!”







“মিমি!”







মিমি হাসতে হাসতে ঘর থেকে পালাল।







দুপুরে জারা নীলার সঙ্গে দেখা করতে গেল। বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছের ছোট্ট রেস্তোরাঁয় নীলা কয়েকজন পুরোনো বন্ধুর সঙ্গে রুদ্রের জন্মদিনের আয়োজন নিয়ে আলোচনা করছিল। টেবিলে কেকের নকশা, রঙিন ফিতা আর উপহারের বাক্স ছড়িয়ে আছে।







জারাকে দেখে নীলা বলল, “তুমি এসেছ! ভাবছিলাম, হয়তো ব্যস্ত থাকবে।”







জারা বসে বলল, “রুদ্রের সঙ্গে একটু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। আজ সব ঠিক করে নেব।”







নীলা অপরাধী মুখে বলল, “আমার জন্যই হয়েছে, তাই না?”







“পুরোপুরি তোমার জন্য নয়। আমিও সময়মতো সত্যিটা বলিনি।”







নীলা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। “রুদ্র বাইরে থেকে খুব হাসিখুশি। কিন্তু কষ্ট পেলে চুপ হয়ে যায়। তখন ওকে বোঝানো কঠিন।”







জারা মৃদুস্বরে বলল, “সেটা বুঝতে পারছি।”







নীলা হেসে বলল, “তুমি ওকে বেশ ভালো বুঝতে শুরু করেছ।”







জারা তাড়াতাড়ি উত্তর দিল, “একই নাটকে অভিনয় করি। বুঝতে হয়!”







নীলা শুধু হাসল।







পরিকল্পনা হলো, রুদ্রের জন্মদিনের আগের সন্ধ্যায় সবাই মিলে ছোট্ট আয়োজন করবে। রুদ্রকে সেখানে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব জারার। নীলা তাকে অনুরোধ করল, যেন আগে থেকে কিছু না বলে।







জারা রাজি হলো। তবে মনে মনে ঠিক করল, চমক দেওয়ার জন্যও রুদ্রের বিশ্বাস নষ্ট হতে দেবে না







বিকেল চারটায় জারা ক্যাম্পাসের পেছনের বাগানে পৌঁছাল। রুদ্রও ঠিক সময়ে এল।







জারা অবাক হয়ে বলল, “তুমি সময়মতো এসেছ!”







রুদ্র মুচকি হাসল। “তোমার সঙ্গে দেখা করার কথা ছিল। দেরি করলে আবার অভিযোগ করতে।”







জারা হেসে ফেলল। কথাটা শুনে মনে হলো, পুরোনো দুষ্টু রুদ্রটা আবার ফিরে এসেছে।







রুদ্র বেঞ্চে বসে বলল, “এবার বলো, কী জরুরি কথা?”







জারা পাশে বসে সব খুলে বলল—নীলা তার জন্মদিনে চমক দেওয়ার পরিকল্পনা করছে, আর জারাকে বলা হয়েছে রুদ্রকে অন্য জায়গায় নিয়ে যেতে। সে চমক নষ্ট করতে চায়নি বলেই কিছু বলেনি।







শেষে জারা মাথা নিচু করে বলল, “তোমার খারাপ লেগেছে, সেটা বুঝতে পারছি। আমার আগে বলা উচিত ছিল। সরি।”







রুদ্র কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলল, “তুমি সত্যিটা বলেছ, এটাই ভালো লাগছে।”







জারা স্বস্তি পেল। “তাহলে রাগ করোনি?”







“করেছিলাম।”







“এখনো?”







“একটু।”







জারা মুখ বাঁকাল। “তুমি কি ছোট বাচ্চা? একটা জন্মদিনের চমক নিয়ে এত অভিমান!”







রুদ্র হেসে উঠল। “দেখো, আবার শুরু করলে!”







দুজনেই হাসল। তারপর রুদ্রের মুখটা একটু গম্ভীর হলো।







“জারা, একটা কথা জানতে চাই। তুমি কি আমাকে শুধু বন্ধু ভাবো?”







জারার হাসি মিলিয়ে গেল। প্রশ্নটা সে ভয় পাচ্ছিল।







কিছুক্ষণ পর বলল, “আমি এখনো জানি না।”







রুদ্র মাথা নেড়ে বলল, “ঠিক আছে। তোমাকে কোনো অনুভূতি জোর করে স্বীকার করাতে চাই না।”







কথাটা শুনে জারার বুকটা ভারী হয়ে উঠল। রুদ্র উঠে দাঁড়াতেই সে অজান্তে তার হাত ধরে ফেলল।







দুজনেই থমকে গেল।







রুদ্র নরম স্বরে জিজ্ঞেস করল, “কিছু বলবে?”







জারা তাড়াতাড়ি হাত সরিয়ে নিল। “না… তুমি চলে যাচ্ছিলে।”







রুদ্র আবার বসে পড়ল। “ঠিক আছে। যাচ্ছি না।”







জারা মুখ নিচু করে হাসল। সে নিজেও বুঝতে পারছিল না, কেন রুদ্রকে চলে যেতে দেখে তার এত খারাপ লাগছিল।







পরদিন সন্ধ্যায় জারা রুদ্রকে নিয়ে রেস্তোরাঁয় পৌঁছাল। রুদ্র গাড়ি থেকে নেমে চারদিকে তাকিয়ে বলল, “এখানে কেন এনেছ?”







জারা কাঁধ ঝাঁকাল। “খিদে পেয়েছে। খেতে এসেছি।”







রুদ্র সন্দেহের চোখে তাকাল। “তুমি আমাকে খাওয়াতে এনেছ? সূর্য কি পশ্চিম দিকে উঠেছে?”







“তোমাকে নিয়ে আসাটাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল!”







রুদ্র হাসতে হাসতে দরজা খুলল।







ভেতরে ঢুকতেই আলো জ্বলে উঠল।







“সারপ্রাইজ!”







নীলা, তন্ময় আর রুদ্রের কয়েকজন পুরোনো বন্ধু একসঙ্গে চিৎকার করে উঠল। সামনে কেক, বেলুন আর দেয়ালে লেখা—‘হ্যাপি বার্থডে, রুদ্র!’







রুদ্র এক মুহূর্ত বাকরুদ্ধ হয়ে গেল। তারপর নীলার দিকে তাকাল।







“তোমরা সবাই মিলে এসব করেছ?”







নীলা হাসল। “হ্যাঁ। আর জারা না থাকলে তোমাকে এখানে আনাই কঠিন হতো।”







রুদ্র জারার দিকে তাকাল।







জারা ভান করে বলল, “আমাকে ধন্যবাদ দেওয়ার দরকার নেই। আমি শুধু খেতে এসেছি।”







রুদ্র মুচকি হেসে বলল, “তোমার জন্য আলাদা একটা মিষ্টি রাখা উচিত।”







“কেন?”







“কারণ মুখে বলো কিছু যায় আসে না, অথচ আমার জন্মদিনের আয়োজন করতে সাহায্য করেছ।”







জারা মুখ ঘুরিয়ে বলল, “নীলা অনুরোধ করেছে, তাই করেছি।”







রুদ্র হাসল। “অবশ্যই। নীলার অনুরোধেই তুমি এত সুন্দর করে তৈরি হয়ে এসেছ!”







জারা নিজের পোশাকের দিকে তাকিয়ে বলল, “আমি এমনিতেই সুন্দর!”







“সেটা তো অস্বীকার করিনি।”







রুদ্র কথাটা এমন স্বাভাবিকভাবে বলল যে জারা কিছুক্ষণের জন্য জবাবই খুঁজে পেল না। তার গাল লাল হয়ে উঠল।







তন্ময় দূর থেকে দৃশ্যটা দেখে ফিসফিস করে বলল, “এদের বিয়ে হলে আমাদের জন্য আলাদা করে ঝগড়া দেখার টিকিট বিক্রি করতে হবে।”







নীলা হেসে বলল, “টিকিট লাগবে না। পুরো বাড়িটাই মঞ্চ হয়ে যাবে!”







কেক কাটার সময় সবাই রুদ্রকে ঘিরে দাঁড়াল। মোমবাতি নিভিয়ে কেক কাটতেই তন্ময় চিৎকার করল, “এবার একটা ইচ্ছা বল!”







রুদ্র বলল, “ইচ্ছা মুখে বললে পূরণ হয় না।”







জারা পাশ থেকে বলল, “তোমার ইচ্ছা নিশ্চয়ই নিজের কথা কম বলার ক্ষমতা পাওয়া!”







সবাই হেসে উঠল।







রুদ্র কেকের একটা টুকরো জারার দিকে বাড়িয়ে দিল। “এই নাও। আজকের আয়োজনের পেছনে তোমারও অবদান আছে।”







জারা কেকটা খেয়ে নিজের হাতে আরেক টুকরো তুলে রুদ্রকে খাইয়ে দিল।







চারপাশ থেকে একসঙ্গে আওয়াজ উঠল, “ওহহহ!”







জারা চমকে হাত সরিয়ে বলল, “কী হয়েছে? কেক খাওয়ালাম!”







তন্ময় হেসে বলল, “আমরা তো কিছু বলিনি। তোমরা নিজেরাই সব বুঝিয়ে দিচ্ছ!”







জারা অন্যদের সঙ্গে গল্পে মেতে উঠলেও রুদ্রের হাসিমাখা চোখ দুটো বারবার তার মনে পড়ছিল।







কিছুক্ষণ পর নীলা তাকে এক পাশে ডেকে নিল।







“জারা, একটা কথা বলব? স্কুলে পড়ার সময় আমি রুদ্রকে পছন্দ করতাম।”







জারা থমকে গেল।







নীলা দ্রুত বলল, “কিন্তু কখনো বলিনি। পরে বুঝেছি, ওকে বন্ধু হিসেবেই আমার বেশি ভালো লাগে। এখন আমার জীবনে অন্য একজন আছে। তোমাকে বললাম, কারণ তোমার চোখে রুদ্রকে নিয়ে অনেক প্রশ্ন দেখি। চাই না, আমার কারণে তোমাদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি হোক।”







জারা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলল। “আমাকে বলার জন্য ধন্যবাদ।”







নীলা হেসে বলল, “এবার নিজের মনকেও একটু প্রশ্ন করো।”







জারা উত্তর দিল না। কারণ নীলার কথাটা অস্বীকার করার মতো সাহস তার ছিল না।







অনুষ্ঠান শেষে রুদ্র জারাকে রেস্তোরাঁর সামনের ছোট্ট বাগানে ডাকল। রাতের বাতাসে গাছের পাতা নড়ছিল।







রুদ্র বলল, “আজকের জন্য ধন্যবাদ।”







জারা হেসে বলল, “কতবার ধন্যবাদ দেবে? আমি কি তোমার জন্মদিনের উপহার?”







“তুমি উপহার হলে সবচেয়ে ঝগড়াটে উপহার হতে।”







“আর তুমি এমন একজন, যে উপহার পেয়েও অভিযোগ করবে!”







দুজনেই হাসল। তারপর রুদ্রের কণ্ঠ নরম হয়ে এল।







“জারা, আজ একটা কথা সত্যি করে বলবে? আমার সঙ্গে সময় কাটাতে তোমার ভালো লাগে?”







জারা চুপ করে তার দিকে তাকিয়ে রইল। এবার সে পালিয়ে যেতে চাইল না।







ধীরে বলল, “হ্যাঁ, ভালো লাগে।”







রুদ্রের চোখে আনন্দ ফুটে উঠল।







জারা তাড়াতাড়ি যোগ করল, “কিন্তু এর মানে এই নয় যে আমি তোমাকে বিয়ে করতে রাজি হয়ে গেছি!”







রুদ্র হেসে বলল, “আমি এতটা বোকা নই।”







জারা ভ্রু তুলল। “সেটা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে।”







“তাহলে আপাতত এটুকুই থাক। তুমি আমার সঙ্গে সময় কাটাতে ভালোবাসো, আর আমি তোমার সঙ্গে। বাকিটা সময়ের ওপর ছেড়ে দিই।”







জারা মৃদু হেসে মাথা নাড়ল।







রুদ্র আবার বলল, “আগামীকাল আমার সঙ্গে দুপুরে খেতে যাবে?”







“তুমি কি প্রতিদিন আমাকে খাওয়ানোর পরিকল্পনা করেছ?”







“না। প্রতিদিন তুমি রাজি হবে কি না, সেটাই পরীক্ষা করছি।”







জারা হেসে বলল, “দেখা যাবে!”







“তোমার এই ‘দেখা যাবে’ কথাটার ওপর আমার ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে।”







“তাহলে ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করো। আমি বাড়ি যাচ্ছি!”







কয়েক পা এগিয়ে জারা আবার ফিরে তাকাল। রুদ্র তখনো দাঁড়িয়ে ছিল।







জারা হাত নেড়ে বলল, “শুভ জন্মদিন, রুদ্র!”







রুদ্র হেসে উত্তর দিল, “ধন্যবাদ, ঝগড়ার রানী!”







গাড়িতে উঠে জারা ফোনে একটা মেসেজ পেল।







‘আজ অনেক উপহার পেয়েছি। কিন্তু তোমার মুখে শুভ জন্মদিন শোনাটাই সবচেয়ে ভালো লেগেছে।’







জারা হাসতে হাসতে লিখল—







‘বেশি আবেগ দেখিও না। কাল দেখা হলে আবার ঝগড়া হবে।’







রুদ্রের উত্তর এল—







‘অপেক্ষায় রইলাম।’







জারা ফোনটা বুকে চেপে ধরল। সে এখনো ভালোবাসার কথা বলেনি, বিয়ের কথাও ভাবতে প্রস্তুত নয়। তবু রুদ্রের সঙ্গে আগামীকাল দেখা করার অপেক্ষাটা তার কাছে অদ্ভুত সুন্দর লাগছিল।







হয়তো ভালোবাসা সব সময় বড় কোনো স্বীকারোক্তি দিয়ে শুরু হয় না। কখনো কখনো শুরু হয় কারও অভিমান ভাঙাতে চাওয়া দিয়ে, অজান্তে তার হাত ধরে ফেলা দিয়ে, কিংবা একটা সাধারণ মেসেজের উত্তরের অপেক্ষায় হাসতে থাকা দিয়ে।







কিন্তু জারা এখনো জানে না, নিজের অনুভূতি মেনে নেওয়ার পরের ধাপটা তার জন্য আরও কঠিন হতে পারে।







কারণ রুদ্রের প্রতি তার বদলে যাওয়া অনুভূতির কথা সে নিজের পরিবারকেও জানায়নি।







আর সামনে এমন এক সময় আসছে, যখন শুধু ঝগড়া করে নয়—নিজের মনের কথাও স্পষ্ট করে বলতে হবে তাকে।







চলবে… ❤️image


📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    2447 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    11 মন্তব্য

    121 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মিস্টার পেন্সিল

    252 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    12 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. Mayabi Ilmaz Megh

    212 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    10 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    127 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

...