Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

eID: #1658 এর সম্পাদনার ইতিহাস

মূল লেখায় ফিরে যান

বর্তমান ভার্সনসম্পাদনা 05 ডিসেম্বর 2025 করেছেন রফিক আতা

বাইতুল্লাহর বিচ্ছেদ কা'বার বিচ্ছেদ—একটি কবিতা একটি কবিতাপাঠ —রফিক আতা—কিছু অব্যক্ত কথা

style="text-align: center;">
বাইতুল্লাহর বিচ্ছেদ কবিতাপাঠ

style="text-align: center;">
কা'বার বিচ্ছেদ


style="text-align: center;">
একটি কবিতা কিছু অব্যক্ত কথা



—রফিক আতা— 











تَلَفَّتُّ نَحْوَ الْحَيِّ حَتَّى وَجَدْتني



وَجِعْتُ مِنَ الإِصْغَاءِ ليتاً وَ أَخْدًا







“নিজের প্রিয় জনপদ থেকে বিদায় নিয়ে দূরপথে যাত্রার মুহূর্তে মন এমনই বিরহকাতর হয়ে পড়ে—



বারবার ফিরে তাকাতে থাকি, যতক্ষণ না দেখি ঘাড়ের রগও ব্যথায় টনটন করছে।”







এই পঙ্ক্তির রচয়িতা মহান আরবি কবি আবু উবাদা আল-ওয়ালিদ ইবন উবাইদ আল-বুহতুরী (الوليد بن عبيد البحتري) (হি. ২০৬–২৮৪)। এটি আরবি সাহিত্যের বিখ্যাত “رثاء الحرب”—যুদ্ধের বেদনা ও বিচ্ছেদের করুণ সুর ধ্বনিত হওয়া এক অনন্য কবিতা।







কোনো একবার বাইতুল্লাহর যিয়ারত শেষে ফেরার পথে মুফতি আযম মুফতি শফি রহ. গভীর অন্তর্দাহে এই কবিতাপঙ্ক্তি আবৃত্তি করছিলেন। তখন তাঁর চোখ থেকে বিচ্ছেদের অশ্রু ঝর্ণার মতো ঝরছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মুফতি তাকি উসমানী হাফি. তিনি বলেন— আমাদের নিস্তরঙ্গ অন্তরেও সেদিন শোকের তরঙ্গদোলা জেগে উঠেছিল।







আহ! কি মধুর সে বিচ্ছেদ! কি মধুর সে কবিতাপাঠ! আর কী অপরূপ সে ভালোবাসা!



প্রেমাস্পদের দ্বার থেকে দূরে গেলে মন থেমে যায়, বারবার ফিরে তাকিয়ে থাকে—



যতক্ষণ না তাকিয়ে থাকার সে দীর্ঘতা ঘাড়ের রগকেও ব্যথায় বিদ্ধ করে।







যদিও কবিতাটি মূলত ভিন্ন প্রেক্ষাপটে রচিত, তবুও এখানে তা হয়ে উঠল এক অশ্রুসজল মুহূর্তের সান্ত্বনা—কা‘বার দরজায় বিচ্ছেদের গহ্বর ভরাট করার ওষুধ, মিজাবে রহমতের ঝরনা কিংবা যমযমের স্বচ্ছ স্রোতের মতো— যা আশেকের ইশকের দাবদাহ প্রশমিত করে প্রশান্তির ঢেউ তুলে দিল।







আর আমি?



এ সুদূর বাংলায় বসে আছি অপেক্ষায়।



কোনোদিন যদি ডাক আসে—



চিঠি আসে মদিনার, আহ্বান আসে বাইতুল্লাহর।



এই পাগলের পাগলামির মর্মে শুধু একটিই বাসনা—আল্লাহ ও রাসুলের ঘর।







সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে।



বসন্তফুল ঝরে যায় । ঋতুর রঙ বদলায়। 



শরতের কাশফুল শুভ্রতা হারিয়ে  থেকে মিইয়ে পড়ে । হেমন্ত পরিবর্তিত হয় শৈত্যে।



তবুও ডাক আসে না, চিঠিও নয়।







আমি ভেঙে পড়িনি, হাল ছাড়িনি।



হয়তো কোনো একদিন রোত পোহালে চিঠি আসবে “তোমার নামে ডাকা হয়েছে।”



আর আমি ছুটে যাবো—



প্রাণের সবটুকু উচ্ছ্বাস নিয়ে



পশ্চিমের সেই দেশমুখী।







আর আমি কিন্তু বিচ্ছেদকালে এই কবিতা পাঠ করবোনা । আমি পাঠ করবো এমন কোন কবিতা



যার প্রতিটি চরণ জুড়ে, প্রতিটি স্তবক জুড়ে



ধ্বনিত হবে থেকে যাওয়ার আরজি—



জীবনের সবটুকু ওখানেই কাটিয়ে দেওয়ার তামান্না।







যেখানে বিদায়ের কোনো ভাষা নেই,



শুধু থাকা, থেকে যাওয়া, স্থির থাকার প্রতিশ্রুতি।



যেখানে প্রতিটি নিশ্বাস বলে—যেও না।



আমার জীবনের প্রতিটি বর্ণ তোমাকেই ঘিরে থাক।



আর সব কবিতাই শেষ হোক একটাই বাক্যে—



“তুমি থাকো, চিরন্তন কা'বার গিলাফ ধরে অথবা মদিনার মাটি ছুঁয়ে ।”















ত্রিশ, এগারো, পঁচিশ



রবিবার

সম্পাদনা 02 ডিসেম্বর 2025 করেছেন রফিক আতা

বাইতুল্লাহর বিচ্ছেদ ও একটি কবিতাপাঠ —রফিক আতা—


বাইতুল্লাহর বিচ্ছেদ ও একটি কবিতাপাঠ



—রফিক আতা— 











تَلَفَّتُّ نَحْوَ الْحَيِّ حَتَّى وَجَدْتني



وَجِعْتُ مِنَ الإِصْغَاءِ ليتاً وَ أَخْدًا







“নিজের প্রিয় জনপদ থেকে বিদায় নিয়ে দূরপথে যাত্রার মুহূর্তে মন এমনই বিরহকাতর হয়ে পড়ে—



বারবার ফিরে তাকাতে থাকি, যতক্ষণ না দেখি ঘাড়ের রগও ব্যথায় টনটন করছে।”







এই পঙ্ক্তির রচয়িতা মহান আরবি কবি আবু উবাদা আল-ওয়ালিদ ইবন উবাইদ আল-বুহতুরী (الوليد بن عبيد البحتري) (হি. ২০৬–২৮৪)। এটি আরবি সাহিত্যের বিখ্যাত “رثاء الحرب”—যুদ্ধের বেদনা ও বিচ্ছেদের করুণ সুর ধ্বনিত হওয়া এক অনন্য কবিতা।







কোনো একবার বাইতুল্লাহর যিয়ারত শেষে ফেরার পথে মুফতি আযম মুফতি শফি রহ. গভীর অন্তর্দাহে এই কবিতাপঙ্ক্তি আবৃত্তি করছিলেন। তখন তাঁর চোখ থেকে বিচ্ছেদের অশ্রু ঝর্ণার মতো ঝরছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মুফতি তাকি উসমানী হাফি. তিনি বলেন— আমাদের নিস্তরঙ্গ অন্তরেও সেদিন শোকের তরঙ্গদোলা জেগে উঠেছিল।







আহ! কি মধুর সে বিচ্ছেদ! কি মধুর সে কবিতাপাঠ! আর কী অপরূপ সে ভালোবাসা!



প্রেমাস্পদের দ্বার থেকে দূরে গেলে মন থেমে যায়, বারবার ফিরে তাকিয়ে থাকে—



যতক্ষণ না তাকিয়ে থাকার সে দীর্ঘতা ঘাড়ের রগকেও ব্যথায় বিদ্ধ করে।







যদিও কবিতাটি মূলত ভিন্ন প্রেক্ষাপটে রচিত, তবুও এখানে তা হয়ে উঠল এক অশ্রুসজল মুহূর্তের সান্ত্বনা—কা‘বার দরজায় বিচ্ছেদের গহ্বর ভরাট করার ওষুধ, মিজাবে রহমতের ঝরনা কিংবা যমযমের স্বচ্ছ স্রোতের মতো— যা আশেকের ইশকের দাবদাহ প্রশমিত করে প্রশান্তির ঢেউ তুলে দিল।







আর আমি?


style="text-align: justify;">
সুদূর বাংলায় বসে আছি অপেক্ষায়।


style="text-align: justify;">
কোনোদিন যদি ডাক আসে—


style="text-align: justify;">
চিঠি আসে মদিনার, আহ্বান আসে বাইতুল্লাহর।


style="text-align: justify;">
এই পাগলের পাগলামির মর্মে শুধু একটিই বাসনা—আল্লাহ রাসুলের ঘর।


style="text-align: justify;">



style="text-align: justify;">
সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে।


style="text-align: justify;">
বসন্তফুল ঝরে যায় ঋতুর রঙ বদলায়। 


style="text-align: justify;">
শরতের কাশফুল শুভ্রতা হারিয়ে  থেকে মিইয়ে পড়ে হেমন্ত পরিবর্তিত হয় শৈত্যে।


style="text-align: justify;">
তবুও ডাক আসে না, চিঠিও নয়।


style="text-align: justify;">



style="text-align: justify;">
আমি ভেঙে পড়িনি, হাল ছাড়িনি।


style="text-align: justify;">
হয়তো কোনো একদিন রোত পোহালে চিঠি আসবে “তোমার নামে ডাকা হয়েছে।”


style="text-align: justify;">
আর আমি ছুটে যাবো—


style="text-align: justify;">
প্রাণের সবটুকু উচ্ছ্বাস নিয়ে


style="text-align: justify;">
পশ্চিমের সেই দেশমুখী।


style="text-align: justify;">



style="text-align: justify;">
আর আমি কিন্তু বিচ্ছেদকালে এই কবিতা পাঠ করবোনা আমি পাঠ করবো এমন কোন কবিতা


style="text-align: justify;">
যার প্রতিটি চরণ জুড়ে, প্রতিটি স্তবক জুড়ে


style="text-align: justify;">
ধ্বনিত হবে থেকে যাওয়ার আরজি—


style="text-align: justify;">
জীবনের সবটুকু ওখানেই কাটিয়ে দেওয়ার তামান্না।


style="text-align: justify;">



style="text-align: justify;">
যেখানে বিদায়ের কোনো ভাষা নেই,


style="text-align: justify;">
শুধু থাকা, থেকে যাওয়া, স্থির থাকার প্রতিশ্রুতি।


style="text-align: justify;">
যেখানে প্রতিটি নিশ্বাস বলে—যেও না।


style="text-align: justify;">
আমার জীবনের প্রতিটি বর্ণ তোমাকেই ঘিরে থাক।


style="text-align: justify;">
আর সব কবিতাই শেষ হোক একটাই বাক্যে—


style="text-align: justify;">
“তুমি থাকো, চিরন্তন কা'বার গিলাফ ধরে অথবা মদিনার মাটি ছুঁয়ে ।”


style="text-align: justify;">



style="text-align: justify;">



style="text-align: justify;">




ত্রিশ, এগারো, পঁচিশ



রবিবার

লিখেছেন 30 নভেম্বর 2025 , লেখক: রফিক আতা

বাইতুল্লাহর বিচ্ছেদ ও একটি কবিতাপাঠ —রফিক আতা—



বাইতুল্লাহর বিচ্ছেদ ও একটি কবিতাপাঠ



—রফিক আতা— 











تَلَفَّتُّ نَحْوَ الْحَيِّ حَتَّى وَجَدْتني



وَجِعْتُ مِنَ الإِصْغَاءِ ليتاً وَ أَخْدًا







“নিজের প্রিয় জনপদ থেকে বিদায় নিয়ে দূরপথে যাত্রার মুহূর্তে মন এমনই বিরহকাতর হয়ে পড়ে—



বারবার ফিরে তাকাতে থাকি, যতক্ষণ না দেখি ঘাড়ের রগও ব্যথায় টনটন করছে।”







এই পঙ্ক্তির রচয়িতা মহান আরবি কবি আবু উবাদা আল-ওয়ালিদ ইবন উবাইদ আল-বুহতুরী (الوليد بن عبيد البحتري) (হি. ২০৬–২৮৪)। এটি আরবি সাহিত্যের বিখ্যাত “رثاء الحرب”—যুদ্ধের বেদনা ও বিচ্ছেদের করুণ সুর ধ্বনিত হওয়া এক অনন্য কবিতা।







কোনো একবার বাইতুল্লাহর যিয়ারত শেষে ফেরার পথে মুফতি আযম মুফতি শফি রহ. গভীর অন্তর্দাহে এই কবিতাপঙ্ক্তি আবৃত্তি করছিলেন। তখন তাঁর চোখ থেকে বিচ্ছেদের অশ্রু ঝর্ণার মতো ঝরছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মুফতি তাকি উসমানী হাফি. তিনি বলেন— আমাদের নিস্তরঙ্গ অন্তরেও সেদিন শোকের তরঙ্গদোলা জেগে উঠেছিল।







আহ! কি মধুর সে বিচ্ছেদ! কি মধুর সে কবিতাপাঠ! আর কী অপরূপ সে ভালোবাসা!



প্রেমাস্পদের দ্বার থেকে দূরে গেলে মন থেমে যায়, বারবার ফিরে তাকিয়ে থাকে—



যতক্ষণ না তাকিয়ে থাকার সে দীর্ঘতা ঘাড়ের রগকেও ব্যথায় বিদ্ধ করে।







যদিও কবিতাটি মূলত ভিন্ন প্রেক্ষাপটে রচিত, তবুও এখানে তা হয়ে উঠল এক অশ্রুসজল মুহূর্তের সান্ত্বনা—কা‘বার দরজায় বিচ্ছেদের গহ্বর ভরাট করার ওষুধ, মিজাবে রহমতের ঝরনা কিংবা যমযমের স্বচ্ছ স্রোতের মতো— যা আশেকের ইশকের দাবদাহ প্রশমিত করে প্রশান্তির ঢেউ তুলে দিল।











ত্রিশ, এগারো, পঁচিশ



রবিবার


📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
সেরা ১০ জন পরীক্ষক

    1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

      61 পয়েন্ট

      0 টি প্রতিক্রিয়া

      0 মন্তব্য

      3 টি আইডিয়া ব্লগ

    2. শামীমা আকতার

      20 পয়েন্ট

      0 টি প্রতিক্রিয়া

      0 মন্তব্য

      0 টি আইডিয়া ব্লগ

    3. মো:তোফায়েল আহমেদ

      11 পয়েন্ট

      0 টি প্রতিক্রিয়া

      0 মন্তব্য

      0 টি আইডিয়া ব্লগ

    ...